ক্ষেতলালে পতিত জমিতে সবজি চাষে বাড়তি আয়
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চলতি মৌসুমে ১৩০ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির আবাদ হয়েছে, যার ৬০ হেক্টরই করলা।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চলতি মৌসুমে ১৩০ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির আবাদ হয়েছে, যার ৬০ হেক্টরই করলা।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের বাখেরা কোমলগাড়ী গ্রামে প্রায় ১৫ বছর ধরে চলা করলার পাইকারি বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন চাষিরা।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা; উৎপাদন ধরা হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৩৭৫ টন।
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় ৪১ হেক্টর জমিতে আগাম সবজির আবাদ হয়েছে; অল্প খরচে ভালো দামে শিম বিক্রি করছেন চাষিরা।
বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলায় তরুণ কৃষিবিদরা মাটিবিহীন কোকোপিট ট্রেতে রোগমুক্ত চারা তৈরি করছেন এবং পলিশেড, মালচিং পেপার, ফগিং ও ড্রিপ সেচ দিয়ে রাসায়নিক ছাড়া সবজি চাষ করছেন; হাইড্রোপনিক্স সেবাও দিচ্ছেন।
শাকসবজিপ্রোভিটামিন ডি৩ জমা করতে সম্পাদিত জন ইনস সেন্টারের একটি টমেটো ইংল্যান্ডের প্রিসিশন ব্রিডিং নিবন্ধনে উঠেছে, তবে বিক্রির আগে খাদ্য মান সংস্থার অনুমোদন লাগবে।
রাজশাহীর পবা উপজেলার চরাঞ্চলে পটল, শসা, করলা, লাউ, ফুলকপি ও টমেটোর খেত জলমগ্ন হয়ে পড়ায় ফসল তোলার আগেই ক্ষতির মুখে কৃষকরা।
ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার উদ্ভাবিত বেগুনি আলু ‘পেইজলি পার্পল’ কৃষকের বাজার ও স্থানীয় রেস্তোরাঁর জন্য চাষ হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে পঞ্চসারের ১০ হেক্টরে আগস্ট-ডিসেম্বরে ১৫-২০ কোটি টাকার চারা বিক্রি হয়; জমিতে পানি জমায় কৃষকেরা চারা লাগাতে না পারায় ক্রেতা নেই, আর ভারী বৃষ্টিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন ও মরিচের চারা নষ্ট হচ্ছে—৩০-৩৫ বছরে এমন মন্দা দেখেননি চাষিরা।
ডিএইর তদন্ত দল ২৬টি হিমাগার ঘুরে দেখেছে অধিকাংশ বন্ধ বা খুঁড়িয়ে চলছে, সৌরবিদ্যুতের বদলে গ্রিডে চলায় বিল বাড়ছে, আলুতে ১৫ দিনে অঙ্কুর; দুই প্রকল্পে ১৮০টির জায়গায় ১৫০টি হয়েছে, ৫০টি বিদ্যুৎ-সংযোগহীন; বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয় বলে সম্প্রসারণ না করার সুপারিশ।
উজানের পানিতে পবা, বাঘা ও গোদাগাড়ীর চরে ৩০৯ দশমিক ৫৯ হেক্টর ফসলি জমি ডুবেছে—সবজি ৪৫, মাষকলাই ৮৫, হলুদ ১০২ হেক্টরসহ; কসবা ও আলিমগঞ্জের কৃষকদের পটোল, শসা, করলা ও আগাম কপি পচে গেছে, কৃষি বিভাগ বলছে আল উঁচু করে প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল রক্ষা করা গেছে।
এগ্রোটেকল্যাক্রিমেটরি ফ্যাক্টর সিনথেজ জিন সম্পাদনায় পাতা ও কন্দে এনজাইমের কার্যক্রম অসম্পাদিত গাছের ৪০ শতাংশের নিচে নেমেছে, তবে সম্পাদিত গাছগুলো খর্বাকৃতি ও বীজহীন হওয়ায় বাণিজ্যিক কম-ঝাঁজের পেঁয়াজ এখনো দূরে।
সরকারি তথ্যে ১ জুনের ২৯.৫০ রুপি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরে গড় খুচরা দাম ৫৩.৭৮ রুপি, পাইকারি ২২.৬০ থেকে ৪৫.৬৮ রুপি; মহারাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজে ঘাটতি ও নতুন খরিফ ফসলে দেরি কারণ, বাফার স্টক থেকে ৩৫ রুপিতে বিক্রি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবছে সরকার।