দিনাজপুরের হিলিতে আমন ধান কাটার পর সেই জমিতে আগাম জাতের আলু রোপণে ব্যস্ত কৃষকেরা। গত বছর আলুতে লোকসান হলেও এবার আগাম আলুর ভালো দাম পেয়ে তা পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন তাঁরা।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, গত সপ্তাহ থেকে উপজেলায় আগাম আলুর চাষ শুরু হয়েছে; খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়নে এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ হেক্টরে আলু রোপণ হয়েছে। এ জাতের আলু ৫০ থেকে ৫৫ দিনে তোলা যায়, কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে চাষ করলে ভালো ফলন হবে বলে তিনি আশা করছেন।
খট্টামাধবপাড়ায় দেখা যায়, আমন কাটা জমিতে চাষ দিয়ে আলু লাগাচ্ছেন চাষিরা। এ সময়ে বাজারে অন্য আলুর সরবরাহ কম থাকায় আগাম আলু ভালো দামে বিক্রির সুযোগ থাকে। তবে গত বছর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় অনেকে লোকসানে পড়েছিলেন।
স্থানীয় কৃষক রুহুল আমিন দেড় বিঘা জমিতে আলু লাগাচ্ছেন, আশা করছেন এবারের ফলন ও দামে গত বছরের লোকসান উঠে আসবে। তবে অনেক কৃষকের ভাষ্য, গত বছর ৮০০ টাকায় কেনা আলুবীজের দাম এবার ১ হাজার ২০০ টাকা; সার, জ্বালানি তেল ও শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে।
ফলে ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্য দাম না পেলে আবারও লোকসানের শঙ্কা আছে কৃষকদের। আগাম আলুর দাম কেমন থাকবে, তার ওপরই নির্ভর করছে এবারের হিসাব।
প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের দিনাজপুর সংবাদদাতার।
ছবি: বাংলাদেশের একটি আলুখেত, sakib454590 / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)