রোজকার পটল ভাজা বা একঘেয়ে সবজি ভাজার বদলে ডাল-ভাতের পাতে নতুন স্বাদ আনতে পারে চিংড়ির পুর দেওয়া বেগুন ভাজা। বেগুনের নরম শাঁস আর চিংড়ির পুর মিলিয়ে তৈরি এই পদে বেগুনির মতো বেসন মাখানো বা বেশি তেলে ভাজার ঝামেলা নেই, আর আলাদা মাছের পদ না রেঁধেও দুপুরের খাবারে বৈচিত্র্য আসে। রেসিপিটি দিয়েছে জাগো নিউজের লাইফস্টাইল পাতা।
প্রথমে বেগুন ধুয়ে গোল গোল করে কাটুন, খুব মোটা বা খুব পাতলা নয়। ছুরি দিয়ে প্রতিটি টুকরোর মাঝের দানাযুক্ত অংশ সাবধানে কেটে আলাদা রাখুন, আর টুকরোগুলোতে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে নিন। কেটে রাখা শাঁস ছোট করে কুচিয়ে নিন। চিংড়ি ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরো করুন; চাইলে হালকা পেস্টও করা যায়।
পুর তৈরিতে কড়াইয়ে সামান্য তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ও আদা-রসুন বাটা হালকা ভাজুন। পেঁয়াজ নরম হলে চিংড়ি কুচি, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া ও লবণ দিয়ে কষান। চিংড়ি সেদ্ধ হয়ে মসলায় মিশে গেলে বেগুনের কুচি ও ধনেপাতা কুচি দিন, শেষে ডিম মিশিয়ে নাড়ুন। ডিম সেদ্ধ হয়ে পুর জমাট বাঁধলে নামিয়ে নিন।
এবার প্যানে তেল গরম করে বেগুনের টুকরো হালকা ভেজে নিন এবং চামচ দিয়ে প্রতিটির মাঝখানে পুর ভরে দিন। চাইলে ভাজার আগেই পুর ভরে গরম তেলে ছাড়া যায়। প্যান ঢেকে মাঝারি আঁচে ভাজুন, এক পিঠ ভাজা হলে উল্টে অন্য পিঠও সোনালি করুন।
বেগুন নরম হয়ে পুর ভালোভাবে সেদ্ধ হলে তুলে নিন, তারপর গরম ভাত ও ডালের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
ছবি: বাঙালি থালিতে বেগুন ভাজাসহ নানা ভাজা (প্রতীকী), senguptahirok / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)