পরের প্রজন্মের হাতে খামার তুলে দিতে বছরের পর বছর প্রস্তুতি লাগে, যাতে পারিবারিক সম্পদ রক্ষা পায়, ব্যবসা চালু থাকে আর প্রজন্মের মধ্যে বিরোধ না বাধে। কানাডার আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেসজারদাঁর দুই উপদেষ্টা ২০২৬ সালের গ্রেট অন্টারিও ইল্ড ট্যুরে এক উপস্থাপনায় এ কথা বলেন, যার ভিডিও প্রকাশ করেছে ফার্মস ডটকম।
জ্যেষ্ঠ সম্পদ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা শন ফিলিয়ন ও পূর্ব অন্টারিওর অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার জেফরি সেন্ট ডেনিস পরিবারগুলোকে আগেভাগে শুরু করতে এবং আর্থিক উপদেষ্টা, হিসাবরক্ষক, কর বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীর সঙ্গে পরিকল্পনা করতে বলেন।
প্রথম ধাপ পরিবারের অভিন্ন লক্ষ্য ঠিক করা: খামার পরিবারে থাকবে নাকি বিক্রি হবে, যে সন্তানেরা চাষ করেন না তাঁরা কী পাবেন, সম্পদ কীভাবে ন্যায্যভাবে ভাগ হবে। প্রজন্মভেদে কাজের ধরন ও অগ্রাধিকার আলাদা, তাই ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ধীরে ধীরে, হাতে-কলমে শিখিয়ে এবং সিদ্ধান্তের ভূমিকা স্পষ্ট করে হস্তান্তর করা উচিত।
মালিকানা কীভাবে যাবে, সম্পদ বিক্রি, শেয়ার হস্তান্তর নাকি কিস্তিতে মূল্য পরিশোধ, তা ঠিক করতে হবে; খামারের আইনি কাঠামো এ সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। মালিকের মৃত্যু, অক্ষমতা বা সরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কী হবে, তা চুক্তিতে লিখে রাখা যায়। আর্থিক পরিকল্পনায় খামারের মূল্য, পরের প্রজন্ম কীভাবে তা পরিশোধ করবে এবং অবসরে যাওয়া মালিকের জীবনযাত্রার খরচ, যেমন আগে খামার যেসব বিল দিত, সব হিসাবে রাখতে হবে।
কর ও সম্পত্তি পরিকল্পনা, উইল ও আমমোক্তারনামা পরিকল্পনার সঙ্গে মিলিয়ে রাখা এবং অসুস্থতা, অক্ষমতা বা সম্পর্ক ভাঙনের মতো ঝুঁকির জন্য বিমা রাখার পরামর্শ দেন তাঁরা। নিয়মিত পারিবারিক বৈঠক, লিখিত সিদ্ধান্ত আর স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ধাপসহ নমনীয় সময়সূচিও জরুরি বলে জানান উপদেষ্টারা।
সূত্র: Farms.com




মন্তব্য
(০)