রোজ বাজার করে সবজি ধোয়া-কাটা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না, বিশেষ করে যাঁরা একা থাকেন বা প্রতিদিন কাজে বের হন। তাঁদের ভরসা সুপারমার্কেটের ফ্রোজেন বা হিমায়িত সবজি: গাজর, বিনস, মটরশুঁটি, ব্রকলি, ভুট্টা। কিন্তু সংরক্ষণের কারণে এসব সবজির পুষ্টিগুণ কমে যায় কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে কলকাতার এই সময়, পুষ্টিবিদ নমামী আগরওয়ালের সামাজিক মাধ্যমের পোস্টের ভিত্তিতে।
পুষ্টিবিদের মতে, ফ্রোজেন সবজি স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। সবজি পাকার পরই কেটে সংরক্ষণ করা হয়, আর সংরক্ষণের সময় পুষ্টিগুণ ধরে রাখার কথা মাথায় রাখা হয়। তাই টাটকা সবজি হাতের কাছে না থাকলে ফ্রোজেন সবজিও রান্নায় ব্যবহার করা যায়।
ব্যবহারের ক্ষেত্রেও তাঁর পরামর্শ আছে। স্যুপ, পোলাও, পাস্তা বা চাউমিনের মতো খাবারে ফ্রোজেন সবজি মেশানো যায়; তবে ভাতের সঙ্গে খাওয়ার সবজি তরকারিতে টাটকা সবজি ব্যবহার করাই ভালো বলে তিনি মনে করেন।
ফ্রোজেন মানেই স্বাস্থ্যকর, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক সময় সংরক্ষণে নানা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়, কখনো সোডিয়ামও থাকে। তাই কেনার আগে প্যাকেটের লেবেল আর উপকরণের তালিকা ভালো করে পড়তে হবে, দেখতে হবে প্যাকেট অক্ষত কি না আর সংরক্ষণের নির্দেশনা কী।
যাঁরা বাজারের প্যাকেটজাত সবজি এড়াতে চান, তাঁরা বাড়িতেই ফ্রোজেন সবজি বানিয়ে রাখতে পারেন। পছন্দের সবজি ছোট কিউব করে কেটে এয়ারটাইট কৌটা বা জিপলক ব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে রাখুন, দরকারের সময় বের করে রান্নায় দিন। এতে ধোয়া-কাটা-প্রস্তুতির সময় বাঁচে।
ছবি: ভুট্টা, গাজর ও মটরশুঁটির হিমায়িত মিশ্রণ (প্রতীকী), Kerolf666 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: এই সময়





মন্তব্য
(০)