বাড়িতে সামান্য জায়গা বা ছোট একটা বারান্দা থাকলেই ছোট্ট কিচেন গার্ডেন করা যায়, আর তার জন্য অক্টোবর ভালো সময়। চারাগাছের কচি পাতা, অর্থাৎ মাইক্রোগ্রিনস, বারান্দা, জানালার ধার বা রান্নাঘরের তাকেই অল্প যত্নে কয়েক দিনের মধ্যে তোলা যায়; কলকাতার এই সময়-এর এক প্রতিবেদনে এমন ছয়টি গাছের কথা বলা হয়েছে।
নতুনদের জন্য সবচেয়ে সহজ মুলা। সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনে তোলার উপযোগী হয়, ঝাঁঝালো স্বাদ সালাদ, স্যান্ডউইচ বা র্যাপে আলাদা মাত্রা দেয়। ভেজা মাটিতে বীজ ছড়িয়ে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা করলেই চলে। সরিষার কচি পাতাও ঝাঁঝালো; বীজ খুব ঘন না ছড়িয়ে মাটি ভেজা রাখলে ৭ থেকে ১২ দিনে তোলা যায়।
মেথির কচি পাতায় হালকা তেতো স্বাদ; পরিষ্কার মাটিতে বীজ বুনে নিয়মিত অল্প পানি দিলে ৮ থেকে ১৪ দিনে পাতা মেলে। মটরশুঁটির কচি পাতা মিষ্টি ও সতেজ, সালাদ বা ভাজিতে চলে; ভালো বাতাস চলাচল দরকার, সময় লাগে ১০ থেকে ১৪ দিন বা তার বেশি।
ব্রকোলির কচি পাতার স্বাদ মৃদু। পরিষ্কার ট্রেতে বীজ ছড়িয়ে পর্যাপ্ত আলো দিতে হবে এবং পানি জমতে দেওয়া যাবে না; ৮ থেকে ১৪ দিনে তোলা যায়। লালশাকের (অ্যামারান্থ) কিছু জাতের কচি পাতায় লালচে-বেগুনি আভা থাকে, খাবার সাজাতে বেশ আকর্ষণীয়; ছোট বীজ পাতলা করে ছড়িয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখলে ১০ থেকে ১৫ দিন বা কিছু বেশি সময় লাগে।
প্রতিবেদনের পরামর্শ: পরিষ্কার ট্রে, ভালো বীজ, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আর মেপে পানি, এই কয়েকটি নিয়ম মানলেই বাড়িতে এসব কচি শাক ফলানো যায়।
লিখেছেন এই সময়-এর প্রস্মিতা দে।
ছবি: ট্রেতে বেড়ে ওঠা মাইক্রোগ্রিনস, Stacy Spensley / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: এই সময়




মন্তব্য
(০)