সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°মেঘলাআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

এফএওর মাঠ স্কুলে শিখে ফসলের বর্জ্যে কম্পোস্ট বানাচ্ছেন জর্জিয়ার এক সবজিচাষি

পশ্চিম জর্জিয়ার সামত্রেদিয়ায় এক হেক্টরে চাষ করা নানা নিকুরাদজে এখন ফসলের অবশিষ্টাংশ ও গোবর পুড়িয়ে না ফেলে কম্পোস্ট করছেন; লক্ষ্য রাসায়নিক সার পুরোপুরি বাদ দেওয়া।

নানা নিকুরাদজে (Nana Nikuradze) পড়াশোনা করেছেন জার্মান ভাষা নিয়ে, কৃষি নিয়ে নয়। সন্তান হওয়ার পর পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার ফলানোর সিদ্ধান্ত নেন, আর চাষাবাদই হয়ে ওঠে তাঁর মূল কাজ। স্বামী ও তিন সন্তানকে নিয়ে তিনি পশ্চিম জর্জিয়ার সামত্রেদিয়ায় এক হেক্টর জমিতে মিষ্টি মরিচ, বেগুন, টমেটো, কাঁচা মরিচ, তরমুজজাতীয় মেলন ও ভুট্টা চাষ করেন; ভালো বছরে উদ্বৃত্ত বিক্রি হয় কাছের বড় শহর কুতাইসির বাজারে।

আট বছরের চাষজীবনের বেশির ভাগ সময় তিনি প্রচলিত পদ্ধতিতেই চাষ করেছেন। বদল আসে দুই বছর আগে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সুইডেন সরকারের সহায়তায় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাস্তবায়িত কৃষি ও পল্লী উন্নয়নের ইউরোপীয় প্রতিবেশী কর্মসূচির (এনপার্ড-৪) কৃষক মাঠ স্কুলে যোগ দেওয়ার পর। এসব স্কুলে বালাইনাশকের নিরাপদ ব্যবহার, মাটির স্বাস্থ্য, চারা ও পানি ব্যবস্থাপনা এবং ফসলের বর্জ্য দিয়ে কম্পোস্ট তৈরি শেখানো হয়।

এ বছর প্রথমবারের মতো তিনি নিজেই কম্পোস্ট বানাচ্ছেন: ফসলের অবশিষ্টাংশ, খড়, সবুজ লতাপাতা আর নিজের ছোট দুগ্ধ খামারের গোবর স্তরে স্তরে সাজিয়ে পচতে দেওয়া হয়। তাঁর কথায়, "আমার লক্ষ্য রাসায়নিক সারের শতভাগ জায়গায় স্বাস্থ্যকর জৈব কম্পোস্ট দেওয়া, আরও স্বাস্থ্যকর খাবার ফলানো।" তাঁর গ্রামের কৃষকেরা আগে ফসলের অবশিষ্টাংশ পুড়িয়ে ফেলতেন; "এতে মাটির জৈব পদার্থ নষ্ট হতো, উপকারী পোকাও মরত," বলেন তিনি। যা একসময় ধোঁয়া হয়ে উড়ে যেত, তা এখন মাটিতে ফিরছে, সারের খরচও কমছে।

মৌমাছির কয়েকটি কলোনি রাখেন বলে তিনি প্রায় কোনো কীটনাশকই ব্যবহার করেন না; পোকা দমন হয় হাতে বাছাই করে আর মাঠ স্কুল থেকে পাওয়া ফেরোমন ফাঁদে। এফএওর কৃষিতত্ত্ব ও সম্প্রসারণ বিশেষজ্ঞ রাতি খারশিলাদজে (Rati Kharshiladze) বলেন, রাসায়নিক উপকরণ ছাড়া কিছু ফলন কমতে পারে, "কিন্তু লাভ হয় মাটি, উপকারী পোকা আর কীটনাশকের অবশিষ্টাংশমুক্ত ফসল।" এসব পদ্ধতি যত দীর্ঘদিন চলে, সুফল তত বাড়ে।

তাঁর ব্রকলি, তরমুজ ও মেলন রাসায়নিক সারে ফলানোগুলোর চেয়ে ছোট হয়, তবে গন্ধ ও স্বাদে ভালো, বলেন নানা। ক্রেতারা যেন এই পার্থক্য বোঝেন এবং রাসায়নিক ছাড়া চাষ করা কৃষকেরা আরও সহায়তা পান, এটাই তাঁর চাওয়া। জমিতে কয়েকটি ছোট অতিথিকুটির বানানোর পরিকল্পনা আছে তাঁর, যাতে শহরের মানুষ এসে সবজি তুলতে, জর্জিয়ার রান্না দেখতে আর নিজেরা কম্পোস্টের স্তূপ বানাতে পারেন। এফএও জানিয়েছে, মাঠ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এনপার্ড কর্মসূচি জর্জিয়াজুড়ে ১,৫০০-র বেশি ফসলচাষির কাছে পৌঁছেছে।

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমসূত্র

জৈব

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোটেক

জৈব কৃষি-উপকরণের নিরপেক্ষ মাঠপ্রমাণ গড়তে এশিয়ায় নতুন ফাউন্ডেশন

সিঙ্গাপুরে এশিয়া বায়োলজিক্যালস সামিটে ঘোষিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটি ধান, কাসাভা ও কোকো দিয়ে শুরু করে জৈব বালাইনাশক ও জৈব উপকরণের যৌথ, স্বাধীন মাঠ-পরীক্ষা গড়ে তুলবে।

AgNavigator২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

জৈব সারে লাউয়ের বাম্পার ফলন, তবু আড়তে ৭-৮ টাকায় বিক্রি নীলফামারীর কৃষকের

লক্ষ্মীচাপের দুবাছুরী মিয়াপাড়ায় ২৪ শতক জমিতে চার জাতের লাউ চাষ করে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০টি তুলছেন সুধীর চন্দ্র রায়; ঢাকায় যে লাউয়ের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা, স্থানীয় আড়তে তা বিকোচ্ছে সাত-আট টাকায়।

দিনাজপুর টিভি২৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মাটি নিজেই দিল নাইট্রোজেন, বাড়তি সারে ফল সামান্য: মৌসুম শেষে দুই মার্কিন কৃষকের শিক্ষা

ফসল তোলার শেষ পর্যায়ে মেরিল্যান্ড ও মিনেসোটার দুই কৃষক জানিয়েছেন, এ বছর নাইট্রোজেনের বড় অংশ এসেছে মাটি থেকেই, বাড়তি সারে লাভ হয়নি, আর শুকনো আবহাওয়ায় ড্রোনে বোনা আচ্ছাদন ফসল জন্মায়নি।

DTN / Progressive Farmer২৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)