রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যা করবেন
হৃৎপিণ্ড রক্ত সঞ্চালন করার সময় শিরা ও ধমনীর ওপরে যে পরিমাণ চাপ দিয়ে থাকে তাই হচ্ছে রক্তচাপ। কিন্তু যখন বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালি সরু হয়ে শক্ত হয় ও হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে
হৃৎপিণ্ড রক্ত সঞ্চালন করার সময় শিরা ও ধমনীর ওপরে যে পরিমাণ চাপ দিয়ে থাকে তাই হচ্ছে রক্তচাপ। কিন্তু যখন বিভিন্ন কারণে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালি সরু হয়ে শক্ত হয় ও হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে
অনেকেই খাওয়ার সময়ে চামচ ব্যবহার করেন। হাত দিয়ে খাবার খেতে চান না। পদ্ধতিগত পার্থক্য ছাড়াও, স্বাস্থ্যের উপরেও এই দু’টি অভ্যাসের আলাদা আলাদা প্রভাব রয়েছে।
বিট লবণ সহজেই অনেক শারীরিক সমস্যা ও রোগ থেকে আমাদের মুক্তি দিতে পারে
শিশুর পুষ্টি: শিশু জন্মের প্রথম ছয় মাস মায়ের দুধ পান করাতে হবে। এমনকি এ সময় এক ফোঁটা পানিও দেওয়া যাবে না। শিশুকে মায়ের প্রথম যে দুধ দেওয়া হয় তাকে শালদুধ বা কোলোস্ট্রাম বলে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারি কিছু ফল
ডিম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। তবে অনেকেই দৈনিক ডিম খেতে ভয় পান, যদি ওজন বেড়ে যায় কিংবা হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে এই ভেবে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম খাওয
জানেন তো, আমরা যেভাবে নিশ্বাস নিই, তার ওপরেই নির্ভর করে শারীরিক সুস্থতা। নিশ্বাস নেওয়ার সময় আমরা গ্রহণ করি অক্সিজেন।সঙ্গে শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও টক্সিন দূর হয় নিশ্বাস ছা
দীর্ঘদিন ঘরে আলু জমিয়ে রাখলে, তার গায়ে অঙ্কুর গজাতে শুরু করে। অনেকেই আবার সেই আলু দিয়ে বিভিন্ন পদ রান্নাও করেন। তবে এই অঙ্কুর গজানো আলু খাওয়া হতে পারে বিপজ্জনক, তবে কেন?
মাত্র ২টি সহজ উপায়েই আমরা ৬ মাস কিংবা বছর ধরেও ইলিশ মাছ সংরক্ষণ করে খেতে পারব
দুর্গাপূজার দিনগুলো থেকেই মিষ্টির দোকানে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। মহামারি করোনা এই পরিস্থিতিতে লোকজনের ভিড়ের মধ্যে মিষ্টির দোকানে না গিয়ে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন বাঙালির ঐতি
সব বয়সীদেরই ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন, ধুমপান, মদ্যপান ইত্যাদি কারণে স্ট্রোক হতে পারে। আগে থেকে ব্রেন স্ট্রোকের লক্ষণ গুলো শনাক্ত করতে পারলে সতর্ক হওয়া
রক্তে কোলেস্টেরল বাড়লে, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আবার খুব বুঝে-শুনে খেলেও রোজকার খাদ্যতালিকা থেকে কোলেস্টেরল একেবারে বাদ দেওয়া মুশকিল। সঙ্গে কোলেস্টেরল হওয়া
টকদইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করে টকদই। ফলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও পেটের যাবতীয় রোগ থেকে মুক্তি মেলে।