ফলমালচিং পদ্ধতিতে সাম্মাম চাষ, কাপাসিয়ার কামরুজ্জামানের আশা ৭ লাখ টাকার ফল বিক্রি
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বর্গা জমিতে মালচিং করে রক মেলন বা সাম্মাম চাষ করেছেন কামরুজ্জামান খান; প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচে প্রথম দফায় বিক্রি ৫০ হাজার টাকা।
ফলগাজীপুরের কাপাসিয়ায় বর্গা জমিতে মালচিং করে রক মেলন বা সাম্মাম চাষ করেছেন কামরুজ্জামান খান; প্রায় ৪ লাখ টাকা খরচে প্রথম দফায় বিক্রি ৫০ হাজার টাকা।
জৈবছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও উপকারী নেমাটোডের ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যজাল মাটিতে পুষ্টি ফেরায়, পানি ধরে রাখে, রোগবালাই ঠেকাতে সাহায্য করে; একক কোনো পণ্য নয়, ছয়টি নীতি মেনেই সুস্থ মাটি গড়ে ওঠে বলে জানিয়েছেন নেমল্যাবের পরামর্শক শিলা স্টোরি।
শাকসবজিআন্তর্জাতিক আলু কেন্দ্র চাষ না করা মাটিতে ধানের খড়ের মালচ আর মাটির আর্দ্রতা সেন্সরচালিত ড্রিপ সেচে জৈব সমৃদ্ধ, লেট ব্লাইট প্রতিরোধী আলু ফলিয়েছে; উৎপাদন খরচ কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ।
শাকসবজিভরা মৌসুমে যে লাউ ৫-১০ টাকায় নামে, আগাম বা অসময়ের চাষে তা বিকোয় ৪০-৫০ টাকায়; বীজ বোনার ৪৫-৪৬ দিনে ফলন শুরু, মালচিং পেপার আর নিয়মিত সেচে ফলন টেকে, কচি ডগাও বাড়তি আয় দেয়।
ফুলশীত আসার আগে গোলাপগাছের চারপাশ পরিষ্কার রাখা, গোড়ায় মালচ দেওয়া আর ধীরে ধীরে পানি কমানোর পরামর্শ; এ সময় সার দেওয়া, শুকনো ফুল ছাঁটা ও বেশি ছাঁটাই বন্ধ রাখতে হয়।
শাকসবজিধলেশ্বরীর পলিমাটির রোয়াইল ইউনিয়নে দুই হাজার ১০০ হেক্টরের বেশি আবাদি জমির দুই-তৃতীয়াংশ তিন ফসলি; মালচিং পেপারে টমেটো-বেগুনের ফলন ২০-৩০ শতাংশ বেড়েছে বলে কৃষকদের দাবি, 'এ' আকৃতির মাচায় শসা উঠছে ৪৫-৭০ দিনে।
শাকসবজিপ্লাস্টিক মালচিংয়ে আগাছা কম, মাটিতে আর্দ্রতা বেশি দিন; ফেরোমন ফাঁদে পোকা নিয়ন্ত্রণ। রোপণের ৪০-৫০ দিনে ফলন, আগাম করলা কেজি ৬০-৬৫ টাকা।
ফলকচ্ছপিয়ার নাপিদেরচরের আনোয়ার হোসেন ৪০ শতকে ৭০ হাজার টাকা খরচে প্রায় তিন হাজার চারা লাগিয়েছেন, খেতে সাত-আট হাজার তরমুজ; তবে দরকার ৪০০-৫০০ কেজি সার, পেয়েছেন মাত্র ১০০ কেজি।
এগ্রোটেকনেট, পলিথিন আর স্টিলের পলিনেট হাউসে আলো, তাপ ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে রাজশাহীর কৃষকেরা বছরে দুবার আঙুর আর উচ্চমূল্যের চারা ফলাচ্ছেন; পলিথিন মালচিংয়ে অসময়ে তরমুজ চাষে আয় বাড়ছে।
এগ্রোটেকচায়না অ্যাগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা গবাদিপশুর গোবর-স্লারি থেকে পচনশীল মালচিং ফিল্ম তৈরি করেছেন; সাইলেজ ভুট্টায় ৩০ শতাংশ কম সারেও ফলন কমেনি, ১৫ শতাংশ কম সারে ফলন বেড়েছে।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বর্গা নেওয়া সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে মালচিং ফিল্মে রক মেলন (সাম্মাম) চাষ করেছেন উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান খান; প্রায় ৫০ হাজার টাকার ফল বিক্রি হয়েছে, পুরো বাগান থেকে ৬-৭ লাখ টাকার আশা।
সিরাজগঞ্জে ১৩০ হেক্টর শসার জমির ৬০ শতাংশে প্রদর্শনী প্লট আকারে প্লাস্টিক মলচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, আর কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন এতে প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৪৫ মণ পর্যন্ত শসা উঠছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলায় তরুণ কৃষিবিদরা মাটিবিহীন কোকোপিট ট্রেতে রোগমুক্ত চারা তৈরি করছেন এবং পলিশেড, মালচিং পেপার, ফগিং ও ড্রিপ সেচ দিয়ে রাসায়নিক ছাড়া সবজি চাষ করছেন; হাইড্রোপনিক্স সেবাও দিচ্ছেন।