কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মাহমুদ আল-ইমরান প্লাস্টিক মালচিং ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে এক বিঘা জমিতে করলা চাষে ভালো ফলন পেয়েছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পুরো মৌসুমে প্রায় ৩ লাখ টাকার করলা বিক্রির আশা করছেন তিনি, জানিয়েছে কৃষি সময়।
পদ্ধতি দুটি কী করে: জমি প্লাস্টিক শিটে ঢেকে দেওয়ায় (মালচিং) আগাছা কম হয় এবং মাটির আর্দ্রতা দীর্ঘ সময় থাকে; আর ফেরোমন ফাঁদ ক্ষতিকর পোকা টেনে নিয়ে আক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। ইমরানের ভাষ্য, এতে রোগবালাই ছাড়াই ভালো ফলন মিলছে।
তিনি এক বিঘায় এগ্রো ওয়ান লিডার জাতের করলার চারা লাগান; রোপণের ৪০ থেকে ৫০ দিনের মধ্যেই ফলন শুরু হয়। আগাম করলা খেত থেকে তুলে কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি করছেন। ইমরান বলেন, এ পদ্ধতিতে যে এত উপকার, তা তাঁর আগে জানা ছিল না। তাঁর খেত দেখে আশপাশের চাষিরাও আগ্রহী হচ্ছেন।
ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত খেত পরিদর্শন করে রোগবালাই প্রতিরোধ ও সুষম সার ব্যবহারে পরামর্শ দিচ্ছেন; কম খরচে নিরাপদ সবজির জন্য আধুনিক প্রযুক্তিতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, ফেরোমন ফাঁদ ও মালচিংয়ে উৎপাদিত করলার বাজারে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের কুষ্টিয়া সংবাদদাতার।
ছবি (প্রতীকী): প্লাস্টিক মালচিংয়ে সবজি চাষ। ছবি: অজ্ঞাত / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)