আয়ারল্যান্ডের কর্ক কাউন্টির নিউটাউনশ্যানড্রামের কোরো এলাকার ট্রয় পরিবারের খামার ২০২৬ সালের এনডিসি ও কেরিগোল্ড কোয়ালিটি মিল্ক অ্যাওয়ার্ড জিতেছে। দুগ্ধ খামারের দেশটির সবচেয়ে বড় এই পুরস্কারকে বলা হয় "ডেইরি অস্কার"; ৩০ সেপ্টেম্বর অরনুয়া ও ন্যাশনাল ডেইরি কাউন্সিল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে। এগ্রিল্যান্ডের এই ভিডিওতে রবার্ট ও মেরি ট্রয় জানিয়েছেন পুরস্কারটি তাঁদের কাছে কী।
রবার্ট এই খামারে পঞ্চম প্রজন্মের দুগ্ধ খামারি; ষষ্ঠ প্রজন্ম, তাঁদের সন্তান রোরি, রবার্ট জুনিয়র, ফিওনা, ওরলা ও এমিয়ারও খামারের কাজে যুক্ত। রবার্ট বলেন, তাঁরা "অত্যন্ত গর্বিত", বছরের পর বছরের পরিশ্রম আর আগের প্রজন্মের গড়ে দেওয়া ভিত্তির কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। মেরির ভাষায়, খামার পরিবারটিকে "ভালো জীবনযাপন আর কাজের ভালো অভ্যাস" দিয়েছে।
টিগ্যাস্কের সাবেক গবেষক ড. ডেভিড গ্লিসন, ইউসিডির অধ্যাপক ক্যারিনা পিয়ার্স এবং আয়ারল্যান্ডের খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সাবেক প্রধান অধ্যাপক প্যাট্রিক ওয়াল, এই তিন বিচারক গ্রীষ্মজুড়ে ১২টি চূড়ান্ত খামার ঘুরে ঘাস ব্যবস্থাপনা, পশুস্বাস্থ্য ও দুধের মানসহ নানা দিক পরখ করেন।
ট্রয়দের ৪২৫টি বসন্তে বাচ্চা দেওয়া হলস্টাইন ফ্রিজিয়ান গাভি ৯৫০ কেজি দানাদার খাদ্যে গাভিপ্রতি গড়ে ৪৯৮ কেজি দুধের কঠিন উপাদান দিয়েছে, চর্বি ৪.৪৯ ও আমিষ ৩.৭৩ শতাংশ; দুধ যায় কিনিসলা সমবায়ে। সোমাটিক কোষ প্রতি মিলিলিটারে ৮৯ হাজার এবং মোট ব্যাকটেরিয়া ৮ হাজার সিএফইউ, ফলে পালের মাত্র ৩০ শতাংশে বাঁট সিলার দিতে হয়; এ জন্য তাঁরা মিল্কিং হাইজিন অ্যান্ড ফ্যাসিলিটিজ পুরস্কারও পেয়েছেন। অর্থনৈতিক প্রজনন সূচকে পালটি দেশের শীর্ষ ১ শতাংশে, গড় ১৯৪ ইউরো; খামারে জন্ম নেওয়া ১১টি ষাঁড় কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রে গেছে।
২০২৫ সালে খামারে হেক্টরপ্রতি ১৫ টন শুষ্ক ঘাস উৎপাদন হয়েছে, গবাদিপশু চরেছে ২৮৫ দিন; পুরো খামারে ক্লোভার আর কেবল সুরক্ষিত ইউরিয়া ব্যবহার করা হয়। কিনিসলার ইভলভ কর্মসূচি ও দুটি ইউরোপীয় উদ্ভাবন অংশীদারত্বের আওতায় পরিবারটি প্রতি শীতে গাছ লাগায়, দুটি পুকুর ও একটি নলখাগড়ার জলাধার বানিয়েছে, জলধারার পাশে বেড়া দিয়েছে; খামারের কার্বন পদচিহ্ন ২০১৭ সালের ০.৯২ কেজি কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে ২০২৬ সালে ০.৭৭ কেজিতে নেমেছে।
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)