ঢাকার নটর ডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও কলেজের ফটোগ্রাফি ক্লাবের সদস্য পৃথু ইম্মানুয়েল গমেজ দেশের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে সাতটি চেনা পাখির ছবি তুলেছেন। প্রথম আলো রোববার (১১ অক্টোবর) সেগুলো নিয়ে একটি আলোকচিত্র-প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে; তার ক্যাপশন থেকে পাখিগুলোর পরিচয় এখানে।
নীলগলা বসন্তবাউরি: উজ্জ্বল সবুজ শরীর, টুকটুকে লাল মাথা আর গলার গাঢ় নীল রঙে সহজে নজর কাড়ে, তবে ঘন সবুজ পাতার আড়ালে এমনভাবে লুকিয়ে থাকে যে সহজে চোখে পড়ে না। ছবিতে পাখিটি উল্টো হয়ে ঝুলে আছে। নীলকান্তমণি বা নীল চুটকি: হালকা নীল এই পাখি বাংলাদেশে মূলত শীতের পরিযায়ী হিসেবে বনাঞ্চলে দেখা যায়, উড়ন্ত অবস্থায় পোকা শিকার করতে পারে।
ফটিকজল: উজ্জ্বল হলুদ এই পাখি দেশের অন্যতম সুরেলা গায়ক। প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখি স্ত্রী পাখিকে আকৃষ্ট করতে শূন্যে ডিগবাজি খায় আর পালক ফুলিয়ে বলের মতো গোল হয়ে গান গায়। ঝুঁটি শালিক বা জংলি শালিক: সাহসী, চটপটে ও দলবদ্ধ; মানুষের গলার স্বর বা অন্য পাখির ডাক হুবহু নকল করতে পারে।
সবুজ সুইচোরা, কোথাও কোথাও বাঁশপাতি নামে পরিচিত: তিরের মতো ছুটে গিয়ে নিখুঁতভাবে শিকার ধরে; খাবারের তালিকায় প্রধানত মৌমাছি, বোলতা ও ফড়িং। লেজের মাঝখানে সুতার মতো দুটি লম্বা পালক বা সুই ওড়ার সময় দিক বদলাতে সাহায্য করে।
দোয়েল: বাংলাদেশের জাতীয় পাখি, গ্রাম ও শহরের প্রকৃতিতে বহুল পরিচিত এই চঞ্চল পাখি বসার সময় লম্বা লেজটি ওপরের দিকে খাড়া করে রাখতে পছন্দ করে। আর শেষ ছবিতে মেছো ইগল বা কুড়া তীক্ষ্ণ নখরে শিকার করা মাছ নিয়ে আকাশে উড়ে যাচ্ছে; দৃশ্যটি পৃথু দেখেছিলেন ঢাকার কাছেই পূবাইলে।
আলোকচিত্রগুলো পৃথু ইম্মানুয়েল গমেজের তোলা, প্রথম আলোর জীবনযাপন বিভাগে প্রকাশিত। এখানে ব্যবহৃত সবুজ সুইচোরার ছবিটি উইকিমিডিয়া কমন্সের।
ছবি: ঝিনাইদহে সবুজ সুইচোরা। ছবি: Rakib Hasan Sumon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: প্রথম আলো





মন্তব্য
(০)