কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বর্ষা মৌসুমে মালচিং পদ্ধতিতে চার জাতের রঙিন তরমুজ চাষ করে সাড়া ফেলেছেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নাপিদেরচরের কৃষক আনোয়ার হোসেন। গতবার ২০ শতকে চাষ করেছিলেন, এবার ৪০ শতকে; প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচে আড়াই লাখ টাকার তরমুজ বিক্রির আশা তাঁর। দিনাজপুর টিভি এ খবর দিয়েছে।
প্রায় তিন হাজার চারা লাগিয়েছেন আনোয়ার, খেতে ধরেছে সাত থেকে আট হাজার তরমুজ। চার জাতের মধ্যে সূর্য ডিমের বাইরেটা হলুদ ভেতরে লাল, রবির বাইরে সবুজ ভেতরে হলুদ, কিং সুগারের ওপরটা কালো ভেতরে লাল, আর বিগ বাইটের বাইরে সবুজ ভেতরে লাল।
ফলন ভালো দেখে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের ব্যাপারীরা নিয়মিত ফোন করছেন; তোলার সময় হলে তিনি নিজেই জানাবেন বলেছেন। কিন্তু বড় বাধা সারের সংকট: জমিতে দরকার ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি সার, পেয়েছেন মাত্র ১০০ কেজি, ফলে ঠিকমতো পরিচর্যা করতে পারছেন না।
তরমুজ ছাড়াও এবার মোট ৮০ শতকে বরবটি, মিষ্টিকুমড়া, করলা আর লাউ চাষ করছেন আনোয়ার। তাঁকে দেখে এলাকার অন্য কৃষকেরাও আগামীতে মালচিংয়ে তরমুজ চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
কৃষি বিভাগের তথ্যে, রামুতে আগাম রবি বা অফসিজনে তরমুজ চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে। গত মৌসুমে উপজেলায় ১০ হেক্টরে তরমুজ হয়েছিল, এবার নতুন জাত আসায় জমি আরও বেড়েছে; এখন কিং সুপার, গ্লোরি, মিন্টু সুপার, ব্ল্যাকবেরি, ব্ল্যাক সুইফট ও সুগার বেবি জাতের চাষ হচ্ছে।
ছবি: Zeynel Cebeci / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); ওপরের ছবিটি প্রতীকী
সূত্র: দিনাজপুর টিভি





মন্তব্য
(০)