খাদ্যে ভেজাল ধরতে মাঠে নামানো ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আরও ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান কেনার কাজ চলছে। বর্তমানে আটটি মহানগর এলাকায় এমন ল্যাবে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি চলছে, পর্যায়ক্রমে তা ৬৪ জেলায় ছড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢোকার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেখানে রাখা একটি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার পরিদর্শন করেন। তিনি ভেতরে ঢুকে খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া দেখেন, কর্মকর্তারা তাঁকে এসব তথ্য জানান।
কর্মকর্তারা জানান, ভেজালবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম আলাদাভাবে চলে।
সচেতনতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে ল্যাবগুলোতে: ভ্যানের বাইরের দিকে বসানো মনিটরে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক ভিডিও দেখানো হয়।
পরিদর্শনের সময় খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও জনপ্রশাসন সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পর্যায়ে ল্যাব পৌঁছালে বাজারে বিক্রি হওয়া খাবারের নমুনা হাতের কাছেই পরীক্ষা করা যাবে, যা ভোক্তা আর সৎ উৎপাদক দুই পক্ষের জন্যই সুরক্ষা। প্রতিবেদনটি বাংলা নিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্টের।
ছবি: মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪


মন্তব্য
(০)