সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭১%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

শীতে শিশুর রোটাভাইরাস ঝুঁকি, টিকা আছে, তবু সরকারি কর্মসূচিতে নেই: ফারিয়া এজাজের কলাম

আজকের পত্রিকায় ফারিয়া এজাজ লিখেছেন, আইসিডিডিআরবির হিসাবে দেশে বছরে আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়; ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিলেও বাংলাদেশে এক ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সরকারিভাবে দেওয়া হয় না।

শীতকালে শিশুদের রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ে, অথচ এর টিকা বাংলাদেশের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে নেই। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত কলামে ফারিয়া এজাজ এক মধ্যবিত্ত মায়ের অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করেছেন: ২০২৩ সালে ছেলেকে বেসরকারি হাসপাতালে রোটাটেক টিকা দিতে গিয়ে দেখেন, প্রতি ডোজের দাম ২,৯৯৩ টাকা, সঙ্গে সার্ভিস চার্জ, আর ডোজ দুই-তিনটি। মতামত লেখকের নিজের।

লেখক আইসিডিডিআরবির ২০২৫ সালের ১৪ আগস্টের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করেছেন: দেশে প্রতিবছর পাঁচ বছরের কম বয়সী আনুমানিক আড়াই থেকে ৩ হাজার শিশু রোটাভাইরাসে মারা যায়, আক্রান্ত হয় লক্ষাধিক। তিন-চতুর্থাংশের বেশি পরিবার চিকিৎসায় মাসিক আয়ের ১০ শতাংশের বেশি খরচ করে; প্রতি সংক্রমণে গড় খরচ প্রায় ১৬১ মার্কিন ডলার, হাসপাতালে ভর্তিতে বছরে আনুমানিক ১ কোটি ডলার।

আইইডিসিআরের হাসপাতালভিত্তিক নজরদারিতে (২০১২ সালের জুলাই থেকে, এখন সাতটি হাসপাতালে) ২০১২ থেকে ২০২৫ সালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৭৫,৯৮৫ জনের মধ্যে ১৮,৯৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১,৪২২ জনের (৬০ শতাংশ) রোটাভাইরাস মিলেছে; এক বছরে ৯৭৮ নমুনার ৬৩২টি (৬৪.৬২ শতাংশ) পজিটিভ, আর সংক্রমণ বাড়ে শীতে। ভাইরাসটি ৪ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বেশি সময় বাঁচে, তাই দীর্ঘ শীতের উত্তরবঙ্গে ঝুঁকি বেশি। দেশে প্রচলিত টিকা ৮১ থেকে ১০০ শতাংশ ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি কমায়।

বিশ্বের ১৩২টি দেশ টিকাটি জাতীয় কর্মসূচিতে নিয়েছে; লেখকের ভাষায়, দক্ষিণ এশিয়ায় তখনো বাকি ছিল কেবল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ ২০১৬ সালে গাভির অনুমোদন পায়, ২০২০ সালে পরিকল্পনা হালনাগাদ করে, ২০২২ সালে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে, তবু চালু হয়নি। ১৪ আগস্ট আইসিডিডিআরবির আলোচনায় ইউনিসেফের চিকিৎসক মো. রিয়াদ মাহমুদ জানান, কর্মসূচি চালুতে আনুমানিক ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার লাগবে; দেশে রোটারিক্স, রোটাটেক, রোটাভ্যাক ও রোটাসিল, ডব্লিউএইচওর প্রাক-যোগ্য এই চারটি টিকা পরীক্ষা হয়েছে, আর বিলম্বের বড় কারণ বাজেট ও ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ।

রংপুর মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আ ন ম তানভীর চৌধুরী লেখককে বলেছেন, কর্মসূচি চালু হলে সময়মতো সরবরাহ, নির্ধারিত বয়সে ডোজ শেষ করা, ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কোল্ড চেইন ধরে রাখা আর দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। লেখকের যুক্তি, জীবনের প্রথম ১ হাজার দিনে বারবার অসুস্থ শিশু অপুষ্টিতে ভোগে; তথ্য-প্রমাণ, টিকা আর চ্যালেঞ্জের তালিকা সবই আছে, এখন দরকার জাতীয় অর্থায়নের সিদ্ধান্ত।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

আজকের পত্রিকাসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মা ইলিশ বাঁচাতে নদীপাড়ের মানুষের পাহারা দল চান মীর মোহাম্মদ আলী

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী লিখেছেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় প্রশাসনের টহলের ফাঁকে নদী পাহারা দিতে জেলেদের স্বেচ্ছাসেবী দল, হটলাইন ও প্রণোদনা দরকার।

প্রথম আলো১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

জমির দলিল আর মিশ্র অর্থায়নেই গড়ে উঠবে নতুন প্রজন্মের কৃষক: রামাফোসা

ফুড ফর মজানসিতে প্রকাশিত সাপ্তাহিক চিঠিতে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা লিখেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ নতুন কৃষকদের জীবিকানির্ভর চাষ থেকে বাণিজ্যিক খামারে তুলতে জমির মালিকানা, পরামর্শ আর ল্যান্ড ব্যাংকের মিশ্র অর্থায়ন দরকার।

ফুড ফর মজানসি১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)