চীনে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে ১৮তম এশিয়ান অ্যাপিকালচার অ্যাসোসিয়েশন সম্মেলন। এতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের ২১ সদস্যের একটি দল, যাতে আছেন মৌয়াল, মৌচাষি, মধু ব্যবসায়ী, গবেষক, উদ্যোক্তা ও ভোক্তা। দলটি সম্মেলনে দুটি মৌখিক গবেষণা উপস্থাপন এবং দুটি পোস্টার উপস্থাপন করবে।
আয়োজকদের তথ্য উদ্ধৃত করে সমকাল জানিয়েছে, সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০০ শিল্পবিশেষজ্ঞ, ৬০০ পেশাজীবী দর্শনার্থী এবং ১০০টি কোম্পানি অংশ নেবে। আন্তর্জাতিক মৌ সম্মেলনে যাওয়া বাংলাদেশি দলগুলোর মধ্যে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড়।
মধুর গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গবেষণা উপস্থাপন করবেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম। বাংলাদেশের আধুনিক মৌচাষ নিয়ে গবেষণা উপস্থাপন করবেন আল মদিনা হানি অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের মো. আকমুল হোসাইন মাহমুদ এবং আলওয়ান মিউজিয়ামের মধু গবেষক সৈয়দ মোহাম্মদ মঈনুল আনোয়ার।
দুটি পোস্টারের একটির বিষয় সুন্দরবনের মধু। ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে সুন্দরবনের মধুকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্যেই পোস্টারটি বাছাই করা হয়েছে। অন্যটির বিষয় বাংলাদেশের মৌচাষের আধুনিকায়ন।
সম্মেলনে মৌচাষ ও মধুশিল্পের আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে। প্রদর্শনীতে থাকবে মৌবিষ দিয়ে চিকিৎসা, মধুর মান পরীক্ষার আধুনিক পদ্ধতি, মৌমাছির খাদ্য এবং মধু উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের আধুনিক যন্ত্রপাতি। সম্মেলন শেষে অতিথিদের ফুজিয়ান এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটিসহ চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে দেখানো হবে।
ছবি: Mustmamun / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)