প্রত্নক্ষেত্রে সাধারণত মেলে পুরোনো মুদ্রা, বাসনপত্র বা শিলালিপি। ইতালির নেপলসের কাছে বাইয়ার প্রত্নক্ষেত্রে মেলে আস্ত একটি জীবন্ত গাছ, তা-ও উল্টো হয়ে জন্মানো। এই সময়ের আলোকচিত্র প্রতিবেদনে (দেবার্ঘ্য ভট্টাচার্য্য) গাছটির গল্প উঠে এসেছে।
বাইয়ার প্রত্নক্ষেত্রের ভেতরের একটি গুহার মতো স্থাপনায় রয়েছে একটি ডুমুরগাছ। এর মূল ও কাণ্ড ওপরের দিকে, আর পাতাসহ সব শাখা-প্রশাখা নিচের দিকে ঝুঁকে আছে। পাথরের দেয়ালে শিকড় গেঁথে বছরের পর বছর এভাবেই বেঁচে আছে গাছটি।
রোমান যুগে বাইয়া ছিল ধনীদের অবসরযাপনের জায়গা; জুলিয়াস সিজার, নিরো, ক্যালিগুলাসহ কয়েকজন সম্রাটের প্রাসাদ ছিল এখানে। পরে এলাকাটি ধীরে ধীরে পরিত্যক্ত হয়, প্রাসাদগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়, একাংশ পানিতেও ডুবে যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যে, সম্রাট নিরোর প্রাসাদের ভগ্নস্তূপের একাংশে জন্ম নেয় গাছটি। ইট-পাথরের ধ্বংসস্তূপে কীভাবে এর বীজ থেকে চারা গজাল, তা আজও রহস্য।
১৯৪০-এর দশকে নেপলসের উপকূলের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এক পাইলট গাছটিকে দেখতে পান। তারপর থেকেই অদ্ভুতভাবে জন্মানো এই গাছ দেখতে পর্যটকেরা ভিড় করেন; প্রত্নক্ষেত্রটিও এখন জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র।
ছবি: বাইয়ার প্রত্নক্ষেত্রের প্রাচীন স্নানাগারের গম্বুজ। AM / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.5)
সূত্র: এই সময়





মন্তব্য
(০)