যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) নবায়নযোগ্য জ্বালানি মানদণ্ডের (আরএফএস) আওতায় ছোট শোধনাগারকে দেওয়া ছাড়ের ৭৭ কোটি জৈব জ্বালানি মিশ্রণ ক্রেডিট ২০২৬ ও/অথবা ২০২৭ সালে শোধনাগারগুলোর বাধ্যবাধকতায় পুনর্বণ্টনের প্রস্তাব দিয়েছে। মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর আইওয়ার পিওস্টায় এক অনুষ্ঠানে ইপিএ প্রশাসক লি জেলডিন (Lee Zeldin) প্রস্তাবটি ঘোষণা করেন, জানিয়েছে ডিটিএন।
আগস্টে ইপিএ ছোট শোধনাগারগুলোকে ১৮টি পূর্ণ ও ১১টি আংশিক ছাড় দেয়, যাতে মোট ১৭৬ কোটি রিনিউয়েবল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (আরআইএন) মওকুফ হয়; আরআইএন হলো আরএফএস মানার ক্রেডিট। এর ৯৯ কোটি আগেই ২০২৬ ও ২০২৭ সালের "সেট ২" বিধিতে হিসাব করা হয়েছিল। নতুন প্রস্তাবে বাকি ৭৭ কোটি, যা ২০২৫ সালের বাধ্যবাধকতার অংশ, পুনর্বণ্টন হবে, যাতে ছাড়ের কারণে দেশের মোট মিশ্রণের লক্ষ্য না কমে। কার্যত এতে ৭৭ কোটি গ্যালন ইথানলের সমপরিমাণ চাহিদা রক্ষা পাবে।
ইপিএ দুটি বিকল্প দিয়েছে: পুনর্বণ্টিত আরআইএন ২০২৬ ও ২০২৭ সালে ভাগ করে দেওয়া, অথবা পুরোটা ২০২৭ সালে যোগ করা। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত জনমত নেওয়া হবে।
জৈব জ্বালানি খাতের সংগঠনগুলো প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে। গ্রোথ এনার্জির প্রধান নির্বাহী এমিলি স্কোর (Emily Skor) বলেন, হারানো গ্যালন ফিরিয়ে দিলে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং নির্ভরযোগ্য নতুন বাজার খোঁজা কৃষকেরা স্বস্তি পাবেন। রিনিউয়েবল ফুয়েলস অ্যাসোসিয়েশনের জিওফ কুপার (Geoff Cooper) বলেন, এতে ইথানল উৎপাদক ও কৃষকের হারানো চাহিদা কিছুটা পূরণ হবে, তবে ছাড়ব্যবস্থার সংস্কারও দরকার। আইওয়ার কৃষক ও আমেরিকান সয়াবিন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডেভ ওয়ালটন (Dave Walton) দ্রুত বিধিটি চূড়ান্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সয়াবিন চাষিরা কঠিন খামার অর্থনীতির মধ্যে আছেন।
অন্যদিকে আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট এর সমালোচনা করে বলেছে, এতে চাপে থাকা জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়বে এবং শোধনাগারের পরিকল্পনা কঠিন হবে। ঘোষণার দিন শস্যবাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব দেখা যায়নি: দুপুরে ভুট্টার ফিউচার দাম প্রায় স্থির ছিল, সয়াবিন কমেছিল বুশেলে ৩ থেকে ৩.৫ সেন্ট।
প্রতিবেদনটি লিখেছেন ডিটিএনের খামার ব্যবসা সম্পাদক ক্রিস ক্লেটন (Chris Clayton)।
ছবি: Steven Vaughn / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: DTN / Progressive Farmer





মন্তব্য
(০)