বাজার ব্যবস্থাপনাভারতে কারখানায় চিনির দাম কমলেও খুচরা বাজারে স্বস্তি আসছে ধীরে
আগস্টের সর্বোচ্চ দামের পর ভারতে কারখানা পর্যায়ে চিনির দাম অনেকটা কমেছে, কিন্তু খুচরা দাম কমছে ধীরে, বলছে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও সমবায় চিনিকলগুলোর ফেডারেশন।
বাজার ব্যবস্থাপনাআগস্টের সর্বোচ্চ দামের পর ভারতে কারখানা পর্যায়ে চিনির দাম অনেকটা কমেছে, কিন্তু খুচরা দাম কমছে ধীরে, বলছে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও সমবায় চিনিকলগুলোর ফেডারেশন।
লাইভস্টকব্রিটিশ উলের মৌসুমের প্রথম চার নিলামে গড় দাম কেজিপ্রতি ১.৭০ পাউন্ড; ২০২৬ সালের উলে প্রধান ধরনগুলোর জন্য খামারিরা কেজিতে ১ পাউন্ডের বেশি পেতে পারেন, যা লোম ছাঁটার খরচ মেটাতে যথেষ্ট।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সারা বছর নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদার করা হবে; মসুর ডাল ও ভোজ্যতেলের আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌর পান বাজারে শনি ও বুধবার ভোরে দুই ঘণ্টায় ৬০-৭০ লাখ টাকার পান বিক্রি হয়, শীতে হাটপ্রতি কোটি ছাড়ায়; ভালো মানের এক কুড়ি (২০ বিরা, বিরায় ১২০ পান) ৪,০০০-৪,৫০০ টাকা; উপজেলা কৃষি বিভাগের হিসাবে প্রায় ৬৫ হেক্টরে পানের বরজ।
মিল্কভিটার এক লিটার ১০০ থেকে ১১০ টাকা, ফার্ম ফ্রেশ, আড়ং ও প্রাণ ডেইরির লিটার ১১০-১১৫ টাকা; চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল বলছেন প্যাকেজিং, গ্যাস ও পরিবহন খরচে লোকসানে ছিল সমিতি, খামারি পর্যায়ে ক্রয়মূল্যও লিটারে ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে; খুচরা বিক্রেতারা বলছেন বিক্রি কমেছে।
সরকারি তথ্যে ১ জুনের ২৯.৫০ রুপি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরে গড় খুচরা দাম ৫৩.৭৮ রুপি, পাইকারি ২২.৬০ থেকে ৪৫.৬৮ রুপি; মহারাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজে ঘাটতি ও নতুন খরিফ ফসলে দেরি কারণ, বাফার স্টক থেকে ৩৫ রুপিতে বিক্রি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবছে সরকার।
শনিবার কাপ্তান, নবাবগঞ্জ, ইসলামবাগ ও লালবাগ বাজারে চাল, মসুর, ব্রয়লার, ডিম, চাষের মাছ ও সবজি আগের চড়া দামেই; দেড় মাস ধরে ব্রয়লার-ডিমের দাম একই, তিন মাসে চিনিগুড়া-আতপ ৯০-১০০ থেকে ১৭০-২০০ টাকা।
আড়তে সরবরাহ কমায় চট্টগ্রামের কাজির দেউড়ি, পাহাড়তলী ও নয়াবাজারে প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে; দেশি ইলিশ কেজি ৩ হাজার টাকা হলেও ভারতীয় ইলিশ ১,৮০০ ও মিয়ানমারের ২,২০০; দেশি মুরগি ৬৫০, ডিম-মাংস-মসলা অপরিবর্তিত।
লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা অনুমোদনের দুই সপ্তাহ পরও রাজধানীর খুচরা বাজারে এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন কম; খোলা সয়াবিন ১৯৮-২০০, পাম ১৮০-১৮৫ টাকা, ময়দা কেজিতে ১০ টাকা, ডিম ডজনে ১০ টাকা আর কাঁচা মরিচ কেজিতে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
চট্টগ্রাম নগরের কাঁচাবাজারে এক সপ্তাহে কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৬০ ও বরবটি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় উঠেছে; বিক্রেতারা বলছেন বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমে খামারে মুরগি কমায় ডিম ও ব্রয়লারের দামও নামছে না।
এক সপ্তাহে রাজধানীর কাঁচাবাজারে সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে, অন্যদিকে সরবরাহ বাড়ায় ইলিশ ও সব জাতের মুরগির দাম নেমেছে।
রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনো কাটেনি। অনেক মুদি দোকানেই মিলছে না তেল। দু-এক দোকানে পাওয়া গেলেও সেগুলো শুধু ২ বা ৫ লিটারের বোতল। আধা লিটার ও এক লিটারের তেলের বোতল নেই বললেই চলে।
এক মাসে খোলা আটার কেজিতে ৫ টাকা ও ময়দায় ১০ টাকা বেড়েছে; ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকা কেজি আর ডিম ডজন ১৫০ টাকায় আটকে আছে দেড় মাস ধরে।