শাকসবজিবৃষ্টির ফোঁটায় বাড়ে কাঁচামরিচের ঝাঁজ, দাম ছাড়ায় ২০০ টাকা
চলতি মাসে যখনই আবহাওয়া খারাপ হয়েছে, তখনই বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। বিশেষ করে কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হলে প্রতি কেজি মরিচের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। আবার বৃষ্টি কমলে দামও কমে।
শাকসবজিচলতি মাসে যখনই আবহাওয়া খারাপ হয়েছে, তখনই বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। বিশেষ করে কয়েকদিন টানা বৃষ্টি হলে প্রতি কেজি মরিচের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। আবার বৃষ্টি কমলে দামও কমে।
মৎস্যপ্রায় এক মাসের ব্যবধানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইলিশ মোকাম চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে কমেছে ইলিশের দাম। আকারভেদে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে বিক্রি হচ্ছে রুপালি এ মাছ।
মৎস্যপবিত্র ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনেও রাজধানীর নিউমার্কেটের পাইকারি মাছের বাজারে চিরচেনা ব্যস্ততা ফেরেনি। ঈদের ছুটিতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় শহর এখন অনেকটাই ফাঁকা। এর প্রভাব রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এই মাছের পাইকারি বাজারেও পড়েছে।
ফলসাতক্ষীরা জেলার পূর্বঘোষিত 'আম ক্যালেন্ডার' অনুযায়ী শুক্রবার (১৫ মে) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারজাত শুরু হয়েছে বিশ্বখ্যাত সুস্বাদু হিমসাগর আম। তবে মৌসুমের প্রথম দিনেই বাজারে ব্যাপক সরবরাহের কারণে দুপুরের পর আমের দামে বড় ধরনের পতন হয়। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মণপ্রতি দাম কমেছে ৮০০ টাকা পর্যন্ত।
মৎস্যবৃষ্টিতেও ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। এতে বিপাকে পড়েছে ভোলার প্রায় ৩ লাখ জেলে। ইলিশ ধরা না পড়ায় এর প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারেও। বাজারে ইলিশ কিনতে এসে খালি হাতে ফিরছেন ক্রেতারা। নদীতে ইলিশের এই খরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলছেন ইলিশ গবেষকরা।
মৎস্যএকসময় পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল পান্তা-ইলিশের উৎসব। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ইলিশ এখন অনেকটা 'স্বপ্নের মাছ'-এ পরিণত হয়েছে।
মৎস্যবাজারে মানভেদে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। মানভেদে কমেছে সোনালি মুরগির দামও। পহেলা বৈশাখে পাতে ওঠা ইলিশ মাছের দাম আগের মতোই চড়া।
ফলপাহাড় ও হ্রদবেষ্টিত জেলা রাঙ্গামাটির ভাসমান হাট 'সমতাঘাটে' পুরোদমে উঠতে শুরু করেছে মৌসুমী ফল আনারস। তবে রমজানের শুরুতে ফলটির দাম চড়া থাকলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে কৃষকরা কিছুটা শঙ্কিত হলেও লোকসানের কথা জানিয়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়
ফলময়মনসিংহের বাজারগুলোতে রমজানকে টার্গেট করে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন জাতের ফল। প্রতি কেজি ফলে ৫০-২৫০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, ফলের বাজার মনিটরিং দুর্বল থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা রমজানের সুযোগে বাড়তি দাম নিচ্ছে।
ফলরমজানে গত ২-১ দিনের ব্যবধানে আমদানি করা বিদেশি ফলের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশি ফলের দাম। এছাড়াও নিম্নমানের ফলে ছেয়ে গেছে ফলের বাজার।
ফলরোজার প্রায় অর্ধেক চলে এলেও মাদারীপুরে এখনো চড়া ফলের দাম। ফল কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।
ফলরাজশাহীতে ১০ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ফলের দাম বেড়েছে ২০-৫০ টাকা। দাম বেশি হওয়ায় দোকানে ফল সাজানো থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি কম। যারা আসছেন তারাও দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন।
ফলনারায়ণগঞ্জে ফলের বাজারে এখনো অস্থিরতা কাটেনি। আগের তুলনায় দাম কিছুটা কম হলেও বাড়ছে না ক্রেতা। তারা বলছেন, এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ফল।