ঢাকায় ইলিশের সরবরাহ বেড়ে দাম কমল কেজিতে ২০০-৫০০ টাকা, তবু ক্রেতা নেই
নিষেধাজ্ঞার আগে জেলেরা বেশি মাছ ধরায় রাজধানীর বাজারে ইলিশ বেড়েছে, কিন্তু ‘গুজরাটি ইলিশ’ ঢোকার গুজবে আসল-নকল নিয়ে বিভ্রান্ত ক্রেতারা দোকান থেকে দূরে।
নিষেধাজ্ঞার আগে জেলেরা বেশি মাছ ধরায় রাজধানীর বাজারে ইলিশ বেড়েছে, কিন্তু ‘গুজরাটি ইলিশ’ ঢোকার গুজবে আসল-নকল নিয়ে বিভ্রান্ত ক্রেতারা দোকান থেকে দূরে।
দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।
এক কেজির ইলিশ ২ হাজার ৮০০ থেকে নেমে ২ হাজার টাকায়; দাম কমলেও ভরা মৌসুমে সরবরাহ কম থাকায় তা এখনো সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে বলছেন বাজারে আসা মানুষ।
চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে আমদানি করা ফল। ফলে কুমিল্লার বাজারে বিদেশি ফলের বদলে তুলনামূলক কম দামের দেশি ফলে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। আপেল, মালটা, আঙুর, আনার, নাশপাতি, কমলা, রামবুটান ও এভোকাডোর মতো বিদেশি ফলের বিপরীতে তরমুজ, সাম্মাম, পেঁপে, ড্রাগন, পেয়ারা, আম, জাম্বুরা, বরই, আমড়া ও আখসহ বিভিন্ন দেশি ফল কিনছেন তা
তালতলা ও আগারগাঁও বাজারে বেগুন ১০০-১৪০, টমেটো ১২০-১৪০, করলা ৬০-৮০ টাকা কেজি; ব্রয়লার ১০ টাকা কমে ১৮০, এক কেজির ইলিশ ২ হাজার ৭০০-২ হাজার ৮০০ টাকা।
আউশ ধান মণপ্রতি ৭০০-৮০০ টাকায় নেমেছে, গত বছর একই সময়ে ছিল ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা; মিলমালিকেরা বলছেন অতিরিক্ত আমদানির মজুতে চাহিদা কমেছে, আউশ মৌসুমেও সরকারি সংগ্রহের দাবি।
চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ইলিশের দাম কেজিতে প্রায় ২০০ টাকা কমেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ছুটির দিনে সকাল থেকেই মাছঘাটে ক্রেতাদের ভিড় ছিল। দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে।
বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে বেশ কিছুদিন ধরেই খুচরা বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে ভোজ্যতেল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এ সপ্তাহে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বোতলজাত তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়ার পরও বাজারে এই সরবরাহ সংকট কাটেনি। এখনো ঢাকার বিভিন্ন এলাকার খুচরা দোকান
কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের দাম কম, অথচ একই পণ্য ভোক্তার বাজারে গিয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে এই বৈপরীত্য নতুন নয়। একদিকে কৃষক উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে ভোক্তাকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্য কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে। ফলে একই বাজারে কৃষক ও ভোক্তা, উভয়প
রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়। ফলে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডিম কিনতেও হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
বৃষ্টি ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বাজারে বেশির ভাগ সবজির দাম চড়া। পেঁপে ও কাঁচকলা ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজিই ৭০ টাকা কেজির ওপরে বিক্রি হচ্ছে। সরকারি ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি বাড়লেও বাড়তি দামের কারণে অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন তারা।
আমের মৌসুম প্রায় শেষ হলেও রাজধানীর বাজারে এখনো পাওয়া যাচ্ছে নানা জাতের আম। কাটিমন, কল্যাণভোগ, ফজলি, ঝিনুক, আশ্বিনাসহ বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। পাশাপাশি বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ ও চাহিদাও রয়েছে বেশ।
বাজারে বোতলজাত ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমিয়েছে কোম্পানিগুলো। এরমধ্যে খোলা তেল ও চিনির দাম দ্রুত বাড়ছে। একই সঙ্গে বেড়েছে আটা-ময়দার দামও। অন্যদিকে সবজি, মাছ-মাংস ও ডিমের দাম এখনো উচ্চমূল্যেই আটকে আছে।