ফসলসম্ভাব্য সুপার এল নিনো: খরার ঝুঁকি মাথায় রেখে বীজ বুনছেন দক্ষিণ আফ্রিকার চাষিরা
বীজ কোম্পানি ও গ্রেইন এসএর পরামর্শ: প্রান্তিক জমিতে ভুট্টা কম, সূর্যমুখী বেশি, ধাপে ধাপে বপন, হিসাব করে উপকরণ কেনা আর এ মৌসুমে নতুন কিছু পরীক্ষা না করা।
ফসলবীজ কোম্পানি ও গ্রেইন এসএর পরামর্শ: প্রান্তিক জমিতে ভুট্টা কম, সূর্যমুখী বেশি, ধাপে ধাপে বপন, হিসাব করে উপকরণ কেনা আর এ মৌসুমে নতুন কিছু পরীক্ষা না করা।
পরিবেশএল নিনোর সম্ভাব্য বন্যা ও খরার আগে জঙ্গলেই, ইউনিটি ও আপার নাইলে আগাম সতর্কতা, নগদ সহায়তা, জীবিকা সুরক্ষা ও ত্রাণসামগ্রী মজুতে এই অর্থ খরচ হবে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত।
এফএও ও আইজিএডি দেশগুলোকে নজরদারি বাড়াতে ও আগেভাগে টিকা মজুত রাখতে বলেছে। অক্টোবর থেকে জানুয়ারি সবচেয়ে ঝুঁকিতে ইথিওপিয়া, কেনিয়া, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, তানজানিয়া ও উগান্ডা।
মতামতডাউন টু আর্থে এক লেখায় রঞ্জন পান্ডা বলছেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত এল নিনো প্রায় নিশ্চিতভাবে থাকবে বলে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানাচ্ছে; তাই ভারতের খামার, গ্রামের পানির উৎস আর খেতমজুরদের এখনই প্রস্তুত করতে হবে।
পরিবেশনেলসন ম্যান্ডেলা বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা বিভাগের প্রধান টিয়ান পুল সতর্ক করেছেন, শক্তিশালী হতে থাকা এল নিনো, শুকনো প্রকৃতি আর আগ্রাসী কাঠল গাছে এমন দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে, যা চারণভূমি, ফসল ও কাঠ পুড়িয়ে দমকল বাহিনীকে হার মানাতে পারে।
বিশ্বআইপিসির নতুন বিশ্লেষণে ২০২৭ সালের মার্চ থেকে জুনে হাইতির ৬৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে বলে পূর্বাভাস, যা চলতি বছরের চেয়ে পাঁচ লাখের বেশি।
ফসলএক বৈশ্বিক ফসল-আবহাওয়া মূল্যায়ন বলছে, প্রত্যাশার চেয়ে ভালো বৃষ্টিতে অস্ট্রেলিয়া, ইউক্রেন, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কিছু অংশে গমের সম্ভাবনা বেড়েছে। দক্ষিণ রাশিয়ার খরা আর ভারতে তাপ এখনো দুশ্চিন্তা।
ফসলজাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের দুই গবেষণায় সিমিট দেখিয়েছে, শুকনো মৌসুমে ভুট্টার ফলন কমে প্রায় ৩০ শতাংশ আর জোয়ারের ৯ শতাংশ, আর খরা সহনশীল ভুট্টা মাঝারি ফলনের খেতে ফলন বাড়িয়েছে ৪২ শতাংশ।
এল নিনোর পূর্বাভাসে উত্তর প্রদেশের মাহোবায় কম পানির ফসল বুনেছিলেন কৃষকেরা, কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে ৯০ শতাংশ বেশি বৃষ্টিতে খরিফ ফসল পচে গেছে।
২৬ অক্টোবর মার্কিন জাতীয় আবহাওয়া সেবা জানিয়েছে, বিষুবরেখা বরাবর সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা গড়ের চেয়ে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি; ২৭টি জলবায়ু মডেলের সবগুলোই অতি শক্তিশালী এল নিনোর পূর্বাভাস দিচ্ছে, কয়েকটিতে ৩.৫ ডিগ্রির বেশি।
ফসলএল নিনো ও খরায় ভারতের তুলা উৎপাদন ২ কোটি ৮০ লাখ বেলের নিচে নামতে পারে, অথচ চাহিদা ৩ কোটি ৬০ লাখ বেল ছাড়াতে পারে; আমদানি ইতিমধ্যে রেকর্ড ৭১ লাখ বেল, আর শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ শেষ ৩১ অক্টোবর।
ফসলইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় বৈশ্বিক চাল নীতি সংলাপ শেষ হয়েছে পুরো মূল্যশৃঙ্খলে বিনিয়োগ, অনুমানযোগ্য বাণিজ্য, বাজার তথ্য ভাগাভাগি ও আঞ্চলিক চাল মজুত গড়ার আহ্বানে; শক্তিশালী এল নিনোর আগে বিশ্বে চালের জোগান কমে আসছে।
ফসলকৃষি বিভাগ এখন ২ কোটি ৭ লাখ টন লক্ষ্যের বদলে প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টন ধান উৎপাদনের পূর্বাভাস দিচ্ছে; শুষ্ক মৌসুমের ধানের সময়েই সবচেয়ে শুকনো মাসগুলোর আশঙ্কা।