সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩২°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

খরার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন মাহোবার কৃষক, ফসল ডুবল বন্যায়

এল নিনোর পূর্বাভাসে উত্তর প্রদেশের মাহোবায় কম পানির ফসল বুনেছিলেন কৃষকেরা, কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে ৯০ শতাংশ বেশি বৃষ্টিতে খরিফ ফসল পচে গেছে।

ভারতের উত্তর প্রদেশের খরাপ্রবণ বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের মাহোবা জেলার কৃষকেরা এ বছর কম বৃষ্টির জন্য উপযোগী ফসল বুনেছিলেন। কিন্তু অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধ জমিতে সেই ফসল পচে গেছে বলে জানিয়েছে মোঙ্গাবে ইন্ডিয়া।

২০২৬ সালের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আগে মাহোবার কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র কৃষকদের তিল, চীনাবাদাম ও মাষকলাইয়ের মতো কম পানির ফসল বোনার পরামর্শ দেয়। রেকর্ডের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনোর কারণে দুর্বল বর্ষার আশঙ্কা ছিল। আইসিএআর-আটারির আপৎকালীন পরিকল্পনাতেও একই পরামর্শ ছিল। জুনে কৃষি মন্ত্রণালয় সেচ সুবিধা ২৫ শতাংশের কম থাকা ১১১টি উচ্চ অগ্রাধিকারের জেলার তালিকায় মাহোবাকে রাখে।

বর্ষা এসেছিল প্রায় ২০ দিন দেরিতে, মৌসুমের বড় অংশজুড়ে বৃষ্টিও ছিল কম। তারপর আগস্টের শেষে শুরু হয় ভারী বৃষ্টি, ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলার বেশির ভাগ জমি পানির নিচে চলে যায়। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে ১ জুন থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর মাহোবায় বৃষ্টি হয়েছে ১,১২৭ মিলিমিটার, স্বাভাবিক ৫৮৮.৪ মিলিমিটারের চেয়ে প্রায় ৯০ শতাংশ বেশি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের লখনউ কার্যালয়ের বিজ্ঞানী অতুল কুমার সিং জানান, উত্তর প্রদেশে ১৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বর্ষার বৃষ্টি হয়েছে। অথচ সারা ভারতে বৃষ্টি হয়েছে ৭৫৯.৪ মিলিমিটার, যা ২০০১ সালের পর চতুর্থ সর্বনিম্ন। মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানাসহ পাঁচ রাজ্যে খরা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

চন্দপুরা গ্রামের কৃষক জয়দেবী বলেন, "জুলাইয়ে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে আমাদের তিল, চীনাবাদাম আর মাষকলাই বেশি বুনতে বলা হয়েছিল। কিন্তু বন্যায় জমি ডুবে গেল।" আরেক কৃষক সম্পত জানান, অক্টোবরে যে খরিফ ফসল কাটার কথা ছিল, তা পুরোটাই পচে গেছে।

বর্গাচাষি ও ক্ষুদ্র কৃষকদের ক্ষতিপূরণ পেতে বাড়তি বাধা পেরোতে হচ্ছে, কারণ জমির মালিকানা, কাগজপত্র আর দাবি নিষ্পত্তির দেরিই ঠিক করে কে বিমার সহায়তা পাবেন। মৌসুমি পূর্বাভাস আর স্থানীয় আবহাওয়ার ফারাক বাড়তে থাকায় ফসল-পঞ্জিকা ধরে পরিকল্পনা করা কৃষকদের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে।

সূত্র: Mongabay India

Mongabay Indiaসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

ইউটিউবে শিখে মাটিরাঙ্গায় পটল চাষ: ১০ শতকে মাসে ৩৫০-৪০০ কেজি ফলন

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় যেখানে পটলের চাষ প্রায় ছিলই না, সেখানে ইউটিউবের ভিডিও দেখে বারি-১ ও বারি-২ জাতের পটল ধানজমিতে মাচায় চাষ করে ফলন পাচ্ছেন বর্গাচাষি আনোয়ার হোসেন; তাঁর দেখাদেখি আরও দুজন শুরু করেছেন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ২৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

পায়রা বন্দরে রাশিয়ার অর্থায়নে গমের সাইলো নির্মাণের প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর

রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত মহেশখালীতে সাইলো আর সরকার-টু-সরকার গম রপ্তানির প্রস্তাব দিলে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জমির সংকটের কথা বলে বিকল্প হিসেবে পায়রা বন্দরের অব্যবহৃত জায়গায় ২ থেকে ৫ লাখ মেট্রিক টনের সাইলোর প্রস্তাব দেন।

কৃষি সংবাদ২৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

সারের দাবিতে হাতীবান্ধায় কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ, ইউএনওর আশ্বাসে প্রত্যাহার

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পারুলিয়া বাজারে সারের দাবিতে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করেন কৃষকেরা; পরিবেশকের বিরুদ্ধে কালোবাজারে সার বিক্রির অভিযোগ তোলেন তাঁরা।

প্রথম আলো২৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)