ফলকোটচাঁদপুরে ১০ বিঘার অ্যাভোকাডো বাগান, বিঘায় আয় ৫-৭ লাখ টাকার দাবি
ঝিনাইদহের কাকবাড়িয়া গ্রামে উদ্যোক্তা হারুনুর রশিদ মুসার ১১ বছরের বাগানে ১৪-১৫ জাতের অ্যাভোকাডো; গাছপ্রতি প্রায় ৬০ কেজি ফল, ব্যাগিং ও ফেরোমন ফাঁদে পোকা দমন।
ফলঝিনাইদহের কাকবাড়িয়া গ্রামে উদ্যোক্তা হারুনুর রশিদ মুসার ১১ বছরের বাগানে ১৪-১৫ জাতের অ্যাভোকাডো; গাছপ্রতি প্রায় ৬০ কেজি ফল, ব্যাগিং ও ফেরোমন ফাঁদে পোকা দমন।
ফলআনারস, কমলা, খেজুর ও আপেলের বাগানে কোন ফল এলাকার আবহাওয়ায় মানায়, নিজে পরীক্ষা করছেন এক উদ্যোক্তা; জলাবদ্ধতা সরাতে মাটির নিচে পাইপ বসাতে খরচ ৬২ হাজার টাকা।
ফলদক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার রিভারল্যান্ডে আঙুরের দাম পড়ে যাওয়ায় চাষিরা বাগান উপড়ে ফেলছেন; মুরথোর এক দম্পতি নতুন ফসলের বদলে ৪০ একর জমিতে দেশি গাছপালা ফিরিয়ে বিপন্ন রিজেন্ট প্যারটের আবাস গড়েছেন।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বর্গা নেওয়া সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে মালচিং ফিল্মে রক মেলন (সাম্মাম) চাষ করেছেন উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান খান; প্রায় ৫০ হাজার টাকার ফল বিক্রি হয়েছে, পুরো বাগান থেকে ৬-৭ লাখ টাকার আশা।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে সাতকরার হালি ৮০ থেকে বেড়ে ১৮০-২০০ টাকা; লন্ডনে যেখানে এক হালি ২০-২৫ পাউন্ড, সেখানে প্রবাসীরা দেশ থেকে সাতকরা কিনে শুকিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
পাবনার চাটমোহরের হোগলবাড়িয়া গ্রামের শারমিন খাতুন লিজ নেওয়া দুই বিঘা অনাবাদি জমিতে ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান করে গত বছর দুই লাখ টাকার বেশি লাভ করেছেন; এবার সব খরচ বাদে অন্তত চার লাখ টাকা লাভের আশা তাঁর।
ফলইউএসডিএ-র সেপ্টেম্বরের ফল পূর্বাভাসে নাশপাতি ৬ লাখ ৬০ হাজার টন, আপেল ৬ শতাংশ ও ওয়াইন আঙুর কম; তবে ক্র্যানবেরি বাড়বে ৫ শতাংশ।
বাজার ব্যবস্থাপনাইউএসএমসিএ পর্যালোচনার সুযোগে মেক্সিকোতেও যুক্তরাষ্ট্রের ‘পাকা’ আইনের মতো সুরক্ষা আদায়ের আহ্বান জানিয়েছেন দুই দলের ৩৭ জন কংগ্রেস সদস্য।
৯৮ জন দরদাতাকে দেওয়া ৩,৭৮২ মেট্রিক টনের কোটায় সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির উচ্চ শুল্কের মৌসুমেও মার্কিন কমলা শুল্কমুক্ত থাকবে।
ফলবাহিয়ার গবেষকেরা দেখেছেন, ফিউজেরিয়াম সংক্রমণের পর ‘মুসাডিএমআর৬’ জিনের সক্রিয়তা বহুগুণ বাড়ে, তাই প্রজনন বা ক্রিসপার সম্পাদনার সম্ভাব্য লক্ষ্য এটি।
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৪০ শতক জমিতে মাচায় বর্ষাকালীন ‘সূর্যডিম’ তরমুজ ফলিয়ে কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি শুরু করেছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা আবদুল জব্বার।
ফলবসন্তের তুষার ও হিমে আঙুরখেতে বড় ক্ষতির পর ভার্জিনিয়ার মদ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয় ছাড় দিয়েছে, যাতে খামারভিত্তিক ওয়াইনারিগুলো নিজেদের নয় এমন বাগান থেকে বেশি ফল কিনে উৎপাদন চালাতে পারে।
ফলপর্তুগালের এরদাদে দাস সের্ভাস খামারে ২০২৪ সালে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া রাতের আঙুর তোলা গত বছর থেকে নিয়মিত; ওয়াইন প্রস্তুতকারক বলছেন, অঞ্চলের আরও উৎপাদক এ পথে যাবেন।