সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

অস্ট্রেলিয়ায় উপড়ানো আঙুরবাগান এখন বিপন্ন টিয়ার আশ্রয়

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার রিভারল্যান্ডে আঙুরের দাম পড়ে যাওয়ায় চাষিরা বাগান উপড়ে ফেলছেন; মুরথোর এক দম্পতি নতুন ফসলের বদলে ৪০ একর জমিতে দেশি গাছপালা ফিরিয়ে বিপন্ন রিজেন্ট প্যারটের আবাস গড়েছেন।

ফল

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় ওয়াইন-আঙুর উৎপাদন অঞ্চল দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার রিভারল্যান্ডের মুরথোতে মারে নদীর তীরের একটি খামারের ৪০ একর আঙুরবাগান আবার দেশি গাছপালায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জায়গাটি এখন বিপন্ন রিজেন্ট প্যারট নামের টিয়াপাখির আশ্রয়।

টনি ও শেরি টাউনসেন্ড দম্পতি ২০২২ সালে ঠিক করেন, আঙুরগাছের বদলে অন্য ফসল না লাগিয়ে জমিটিকে দেশি ঝোপজঙ্গলে ফিরিয়ে দেবেন। শেরি টাউনসেন্ড বলেন, আঙুরবাগান সামলাতে অনেক সময় ও পরিশ্রম লাগত, আর তাঁরা সেই উদ্দেশ্যে জমিটি কেনেননি; আশপাশের অন্য চাষিদের তুলনায় তাঁদের জন্য সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল।

নব্বইয়ের দশকের শেষ থেকে আঙুর শিল্পে যুক্ত এই দম্পতি খামারটিতে আটটি মৌসুম আঙুর তুলেছেন। টনি টাউনসেন্ড বলেন, ২০২২ সালের পর দাম পড়তে থাকে। আঙুরের অতিরিক্ত সরবরাহ আর বিশ্বজুড়ে ওয়াইনের চাহিদা কমায় পুরো রিভারল্যান্ডেই চাষিরা বাগান উপড়ে ফেলছেন। শিল্প বিশেষজ্ঞ ও রাজ্য সরকার কাঠবাদাম বা জলপাইয়ের মতো লাভজনক ফসলে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে, যা ব্যয়বহুল; সরকারের সদ্য ঘোষিত ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলারের সহায়তা প্যাকেজ টাউনসেন্ডদের জন্য দেরিতে এসেছে।

মারেল্যান্ডস অ্যান্ড রিভারল্যান্ড ল্যান্ডস্কেপ বোর্ডের সঙ্গে মিলে এই পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। খামারটি রিজেন্ট প্যারটের ওড়ার পথের ওপর; বাসা বাঁধার জায়গার অভাবসহ নানা কারণে কয়েক বছর ধরে পাখিটির সংখ্যা কমছে, বোর্ডের সর্বশেষ গণনায় রিভারল্যান্ডে মাত্র ৪০০ প্রজননক্ষম জোড়া পাওয়া গেছে। বিপন্ন প্রাণী বিশেষজ্ঞ মেলিসা বারফোর্ড বলেন, পাখিগুলো নদীর ধারে রিভার রেড গাম গাছে ডিম পাড়ে কিন্তু খাবার খোঁজে ম্যালি ঝোপে, তাই মাঝপথে খাবার থাকা জরুরি।

৩৫ বছর ধরে পাখিটির জরিপ করা দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার রিজেন্ট প্যারট রিকভারি টিমের চেয়ারম্যান কেভিন স্মিথ বলেন, দেশি গাছপালা ফিরিয়ে প্রজাতিটিকে সাহায্যের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ এখন পর্যন্ত টাউনসেন্ডদের খামার। চারা বাঁচাতে দম্পতি সেচের পুরোনো পলি পাইপের কিছুটা আবার ব্যবহার করেছেন এবং নিজেদের পানির বরাদ্দের সামান্য অংশ কাজে লাগিয়েছেন; পরিবারের চার প্রজন্ম আর স্থানীয় স্কুলের শিক্ষার্থীরা চারা লাগানোয় হাত লাগিয়েছে।

চার বছরে জায়গাটিতে ফুল ফুটতে শুরু করেছে। টাউনসেন্ডরা আশা করেন, আঙুর চাষ ছেড়ে দেওয়া অন্য চাষিরাও এ পথ ভেবে দেখবেন। প্রতিবেদনটি লিখেছেন এবিসি রিভারল্যান্ডের জ্যাকসন বাইর্ন।

ছবি: Feral Arts / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: এবিসি রুরাল

এবিসি রুরালদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

কাপাসিয়ায় সাড়ে ৮ বিঘায় রক মেলন, ৬-৭ লাখ টাকা বিক্রির আশা

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বর্গা নেওয়া সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে মালচিং ফিল্মে রক মেলন (সাম্মাম) চাষ করেছেন উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান খান; প্রায় ৫০ হাজার টাকার ফল বিক্রি হয়েছে, পুরো বাগান থেকে ৬-৭ লাখ টাকার আশা।

কৃষি সময়২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

নবীগঞ্জের বাজারে সাতকরার হালি ১৮০–২০০ টাকা, লন্ডনপ্রবাসীরা নিচ্ছেন শুকিয়ে

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে সাতকরার হালি ৮০ থেকে বেড়ে ১৮০–২০০ টাকা; লন্ডনে যেখানে এক হালি ২০–২৫ পাউন্ড, সেখানে প্রবাসীরা দেশ থেকে সাতকরা কিনে শুকিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

সমকাল২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

লিজের অনাবাদি জমিতে মাল্টা, চাটমোহরের শারমিন খাতুন আশা করছেন ৪ লাখ টাকা লাভ

পাবনার চাটমোহরের হোগলবাড়িয়া গ্রামের শারমিন খাতুন লিজ নেওয়া দুই বিঘা অনাবাদি জমিতে ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান করে গত বছর দুই লাখ টাকার বেশি লাভ করেছেন; এবার সব খরচ বাদে অন্তত চার লাখ টাকা লাভের আশা তাঁর।

কৃষি সময়২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)