পাবনার চাটমোহর উপজেলার হোগলবাড়িয়া গ্রামের শারমিন খাতুন অনাবাদি জমিতে মাল্টা চাষ করে সফল হয়েছেন। লিজ নেওয়া দুই বিঘা জমির বাগান থেকে এবার সব খরচ বাদ দিয়ে অন্তত চার লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।
২০২১ সালে করোনা মহামারির সময় কৃষিতে নামার সিদ্ধান্ত নেন শারমিন। পাঁচ বছরের জন্য দুই বিঘা জমি লিজ নিয়ে সেখানে ভিয়েতনামী ও বারি-১ জাতের মাল্টার বাগান গড়েন তিনি। প্রথম দুই বছর খুব বেশি ফল পাননি; নিবিড় পরিচর্যা ও নিয়মিত তদারকিতে গত বছর বাগান ফলে ভরে ওঠে।
জমির লিজ খরচ ও সব পরিচর্যা ব্যয় মিটিয়ে গত বছর দুই লাখ টাকার বেশি লাভ হয় তাঁর। এ বছর ফলন আরও বেড়েছে; গাছে গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ মাল্টা। স্থানীয় বাজারে তাঁর মাল্টা আমদানি করা বিদেশি মাল্টার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে, আর এলাকায় তিনি পরিচিতি পেয়েছেন ‘মাল্টা ভাবি’ নামে।
শারমিন জানান, শুরুতে লিজের জমিতে ফলবাগান করা নিয়ে আশপাশের অনেকে কটাক্ষ করেছিলেন, কারণ যে জমিতে সাধারণ ফসলেও লাভ হতো না, সেখানে মাল্টা চাষ ছিল বড় ঝুঁকি। নতুন করে আরও এক বিঘা জমিতে অস্ট্রেলিয়ান হলুদ জাতের মাল্টার চারা লাগিয়েছেন তিনি।
প্রতিদিন অনেকে তাঁর বাগান দেখতে আসছেন; কেউ মাল্টা কিনতে, কেউ চাষের কৌশল জানতে।
চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ বলেন, উপজেলা ফল মেলায় শারমিনের বাগানের মাল্টা প্রদর্শনের পর এলাকার অনেক সাধারণ কৃষক মাল্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন; চাষ ছড়াতে কৃষি বিভাগ সবাইকে সহযোগিতা করবে।
প্রতিবেদন: পাবনা সংবাদদাতা, কৃষি সময়।
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)