যুক্তরাষ্ট্রে এ বছর নাশপাতির উৎপাদন ১৫ শতাংশ কমে ৬ লাখ ৬০ হাজার টনে নামতে পারে, যা ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে তৃতীয় সর্বনিম্ন। ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ইউএসডিএ-র ফল ও বাদাম পূর্বাভাসে এ তথ্য এসেছে। ১৯৭২ সালের পর শুধু ২০২৪ (৫ লাখ ৫১ হাজার টন) ও ২০২২ (৬ লাখ ৪৮ হাজার টন) সালে ফলন এর চেয়ে কম ছিল।
নাশপাতি উৎপাদনে শীর্ষ পশ্চিম উপকূলের তিন অঙ্গরাজ্যেই ফলন কমছে: ওয়াশিংটনে ৩ লাখ ২০ হাজার টন, গত বছরের বাম্পার ফলনের চেয়ে ৪ শতাংশ কম; অরেগনে ২ লাখ ১০ হাজার ও ক্যালিফোর্নিয়ায় ১ লাখ ২০ হাজার টন, দুটিতেই ২৩ শতাংশ কম। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমে ফল কম ধরায় ফলন কমলেও ফলের আকার বড় হয়েছে।
কলাম্বিয়া গর্জ ফ্রুট গ্রোয়ার্সের সভাপতি লেসলি তামুরা জানান, এবার সিলা পোকার চাপ কম থাকায় নাশপাতি পরিষ্কার, তবে কৃষকেরা আবারও কম দাম পাচ্ছেন বলে শুনছেন। প্রক্রিয়াজাতে যাওয়া অংশ ইতিহাসের সর্বনিম্নের কাছাকাছি: ১৯৭০ থেকে ১৯৯০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক, ২০২৫ সালে ১৮ শতাংশ। ২০২৪-২৫ সালে প্রথমবার নিট আমদানিকারক হওয়ার পর ২০২৫-২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র আবার নিট রপ্তানিকারক হয়েছে; রপ্তানি ৫৬ শতাংশ বেড়ে ২৪ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড, প্রায় সবই মেক্সিকো ও কানাডায়, আর আমদানি কমেছে ২৯ শতাংশ।
আপেলের ফলন ৬ শতাংশ কমে ১,০৪০ কোটি পাউন্ড হতে পারে, ২০২২ সালের পর সবচেয়ে কম; এর ৭৪০ কোটি পাউন্ড ওয়াশিংটনের। মধ্য-আটলান্টিক অঞ্চলে বসন্তের তুষারপাতে দাম বাড়ার চাপ তৈরি হবে। ২০২৫-২৬ সালে তাজা আপেল রপ্তানি ছিল ১৮৭ কোটি পাউন্ড, তাজা উৎপাদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ; রপ্তানি মূল্য ১২ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ১১৬ কোটি ডলার।
ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াশিংটনে ওয়াইন আঙুরের ফলন ৫ শতাংশ এবং অরেগনে ১৬ শতাংশ কমতে পারে; অন্যদিকে ক্র্যানবেরি বাড়বে ৫ শতাংশ, অরেগনে ৬ শতাংশ বেড়ে ৫ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল। প্রতিবেদনটি লিখেছেন কাইল ওডেগার্ড।
ছবি: Gary Halvorson, Oregon State Archives / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 4.0)
সূত্র: Capital Press




মন্তব্য
(০)