ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাকবাড়িয়া গ্রামে বাণিজ্যিক অ্যাভোকাডো বাগান গড়ে তুলেছেন কৃষি উদ্যোক্তা হারুনুর রশিদ মুসা। তাঁর দাবি, সঠিক জাত ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে এক বিঘা জমি থেকে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। দিনাজপুর টিভির প্রতিবেদনে বাগানটিকে দেশের প্রথম ও সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অ্যাভোকাডো বাগান বলা হয়েছে।
২০১৬ সালে কৃষি বিভাগের এক সাবেক মহাপরিচালকের গবেষণাপত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি চাষ শুরু করেন। বাগান এখন প্রায় ১০ বিঘায় বিস্তৃত, যার মধ্যে বাড়ির পাশে আড়াই বিঘা ও অন্যত্র দেড় বিঘার আলাদা প্লট আছে। বাগানে ১৪ থেকে ১৫টি জাতের অ্যাভোকাডো গাছ রয়েছে।
বাগানের বয়স এখন ১১ বছর; গাছগুলো দেশি বড় আমগাছের মতো বিশাল হয়েছে এবং খুব জটিল পরিচর্যা লাগে না বলে জানান তিনি। প্রতিটি গাছে গড়ে প্রায় ৬০ কেজি পর্যন্ত ফল পাওয়া যাচ্ছে।
রাসায়নিকের ব্যবহার এড়াতে এবং পাখি ও পোকামাকড় থেকে ফল রক্ষায় তিনি ব্যাগিং পদ্ধতি ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেন। অ্যাভোকাডো পাকার পরও সাধারণত সবুজ থাকে, আর এর স্বাদ মিষ্টি ফলের মতো নয়, অনেকটা মাখন বা সেদ্ধ ডিমের কুসুমের মতো।
মেক্সিকোতে প্রায় সাত হাজার বছর আগে উৎপত্তি হওয়া এই ফল আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া হয়ে এখন বাংলাদেশেও ফলন দিচ্ছে।
ছবি: B.navez / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: দিনাজপুর টিভি





মন্তব্য
(০)