জৈবরাসায়নিকে ক্ষয়ে যাওয়া জমি ফিরিয়ে ৫০ পরিবারকে খাবার দিচ্ছেন কানপুরের বর্ষা
কানপুরের পারিবারিক জমির মাটি ফেরাতে বর্ষা আগরওয়ালের লেগেছে তিন থেকে চার বছর; এখন রাসায়নিক ছাড়াই সবজি, হলুদ ও মিলেটের আটা বিক্রি করছেন তিনি।
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ১৫টি প্রতিবেদন
জৈবকানপুরের পারিবারিক জমির মাটি ফেরাতে বর্ষা আগরওয়ালের লেগেছে তিন থেকে চার বছর; এখন রাসায়নিক ছাড়াই সবজি, হলুদ ও মিলেটের আটা বিক্রি করছেন তিনি।
এগ্রোটেকহাতে বহন বা স্প্রেয়ারে বসানো যায় এমন এআই ক্যামেরা ব্যবস্থা স্মার্ট স্কাউট সয়াবিন খেতে হেলে পড়ার ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করবে; কোয়াডের এআই-এনগেজ উদ্যোগের প্রথম ছয় প্রকল্পের একটি এটি।
ফসলওয়ালমার্ট ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ওয়াটারশেড অর্গানাইজেশন ট্রাস্টের দ্বিতীয় পর্ব ৪০টি কৃষক উৎপাদক সংগঠনের মাধ্যমে চলবে; প্রথম পর্বে অংশ নেওয়া কৃষকের ফসল বিক্রির গড় নিট আয় তিন বছরে ১,৫৭,০৪৬ থেকে ২,৩৭,১৮৪ রুপিতে উঠেছে।
মতামতকৃষি জাগরণে এক কলামে এলিসা লেইন লিখেছেন, ভারত ও এশিয়ায় খাঁচামুক্ত ডিম কেনার কর্পোরেট প্রতিশ্রুতি সফল করতে খামারিদের প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন ও ক্রেতা চাহিদার স্পষ্ট ধারণা দরকার।
ফসল২০১৫ সালের পর সবচেয়ে দুর্বল বর্ষার প্রেক্ষাপটে ২০২৬-২৭ রবি মৌসুমের জন্য বীজ শোধন, বপনের সময়, মাঠ পর্যবেক্ষণের পর স্প্রে এবং শুধু আসল উপকরণ কেনার পরামর্শ দিয়েছে ক্রপলাইফ ইন্ডিয়া।
আইসিএআর-এর ২ লাখ ৪২ হাজার মাটির নমুনা বিশ্লেষণ আর ভারতের ৩৯ শতাংশ মাটিতে জিংকের ঘাটতির তথ্য তুলে ধরে ড. সুরেশ কুমার চৌধুরী লিখেছেন, মাটির অণুপুষ্টি ঠিক করাই ফসল, পশু ও মানুষের পুষ্টির শুরু।
মতামতকৃষি জাগরণে এক কলামে তরুণ শ্রীধর লিখেছেন, জেলা পর্যায়ে কোল্ড স্টোরেজ, ঋণ, খাঁচায় মাছ চাষ আর বাজার সংযোগ গড়লে উত্তর-পূর্ব ভারত নিজের মাছের চাহিদা মেটাতে ও শোভাবর্ধক মাছ রপ্তানি করতে পারে।
ফলস্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সাবেক চিফ ম্যানেজার নিহাল সিং রাজস্থানের জালোরে প্রায় ৫,০০০ ডালিম গাছের বাগান করেছেন; ধাপে ধাপে রাসায়নিক থেকে জৈব উপকরণে যাওয়া আর ড্রিপ সেচে তাঁর বাগানের খরচ প্রায় ২০ লাখ রুপি থেকে এ বছর ৮-৯ লাখে নেমেছে বলে তাঁর দাবি।
ফসলমা দন্তেশ্বরী হার্বাল গ্রুপ কোন্ডাগাঁও জেলায় কয়েকশো শিক্ষার্থী ও প্রায় ২৫ জন কৃষককে বিনা মূল্যে চারা দিয়েছে; এক বছর পর যাঁদের গাছ ভালো থাকবে, তাঁরা আরও চারা পাবেন।
এগ্রোটেক৭ কোটি ৬৩ লাখ কৃষক পরিচয়পত্র আর ৯৩ লাখের বেশি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ভয়েস চ্যাটবটের পর ভারতের পরের ধাপ এমন পরামর্শ, যা কৃষক বুঝবেন, প্রশ্ন করবেন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন।
ফসলজাপানের নিপ্পন সোডার সঙ্গে তৈরি এফআরএসি ৫২ শ্রেণির এই ছত্রাকনাশক একরপ্রতি ১০০ মিলি মাত্রায় ভারতের কর্ণাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশে বাজারে আসছে।
ফসল৩৬০ কোটি ডলারের এই শিল্পের সংগঠন এফএসআইআই তেলবীজ ও ডালের জন্য একক জাতীয় নিয়ন্ত্রণ কাঠামো, দ্রুত অনুমোদন ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষা চেয়েছে।
বিশ্বে প্রায় ১,২০০টি সক্রিয় উপাদান থাকলেও ভারতের কৃষকের হাতে আছে প্রায় ৩৮০টি; বালাইনাশক শিল্পের সংগঠন ক্রপলাইফ ইন্ডিয়া বিজ্ঞানভিত্তিক বিধিনিষেধ ও নতুন পণ্যের নিবন্ধন তথ্যের পাঁচ বছরের সুরক্ষা চেয়েছে, যাতে উন্নত ও নিরাপদ প্রযুক্তি দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছায়।