বিশ্ব বীজ বাণিজ্যে ভারতের হিস্যা প্রায় ১ শতাংশ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ শতাংশে তুলতে চায় দেশটির বীজ শিল্প, সেই সঙ্গে তেলবীজ ও ডালে স্বনির্ভরতা বাড়াতে চায়। নয়াদিল্লিতে ফেডারেশন অব সিড ইন্ডাস্ট্রি অব ইন্ডিয়ার (এফএসআইআই) নলেজ ডে অনুষ্ঠানে এ লক্ষ্য তুলে ধরা হয়, জানিয়েছে কৃষি জাগরণ।
এফএসআইআই-এর হিসাবে শিল্পটির আকার ৩৬০ কোটি ডলার, ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ কোটি ছাড়াবে। সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাভানা সিডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অজয় রানা বীজ নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট সময়সীমাসহ একক জাতীয় কাঠামো, নতুন জাত, বৈশিষ্ট্য ও প্রযুক্তির বিজ্ঞানভিত্তিক দ্রুত অনুমোদন এবং বিশেষ করে তেলবীজ ও ডালে শক্তিশালী মেধাস্বত্ব সুরক্ষা চেয়েছেন।
রানা জানান, উন্নত দেশগুলো জিডিপির ৩-৪ শতাংশ গবেষণায় খরচ করে, ভারত করে ১ শতাংশেরও কম; গবেষণায় প্রতি ১ রুপি খরচে ১৩ রুপি ফেরত আসে বলে একটি গবেষণার উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, শিল্পের তৈরি সরিষার হাইব্রিড একরপ্রতি এক টন ফলন দেয়; কিছু জমি গম থেকে সরিষায় নিলে কৃষকের আয় বাড়বে এবং ১০ বছরের কম সময়ে ভোজ্যতেলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আসতে পারে।
পাঁচটি প্রধান সবজি উৎপাদনকারী রাজ্যের কৃষকদের নিয়ে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৯৩ শতাংশ হাইব্রিড বীজ ব্যবহার করেন, ৬৮ শতাংশ বীজ কেনেন ডিলারের কাছ থেকে; একরপ্রতি গড় চাষ খরচ ১ লাখ ৭ হাজার রুপি, আর গড় রিটার্ন খরচের ২.৭ গুণ। তবে জলবায়ু ও বালাই সহনশীল নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সচেতনতা এখনো কম, কৃষকেরা সাধারণ কীটনাশক স্প্রের ওপরই নির্ভর করেন।
ন্যাশনাল ফার্মার্স এমপাওয়ারমেন্ট ইনিশিয়েটিভের আহ্বায়ক কিশোর জয়সওয়াল বলেন, "নিজের মাঠে ফল দেখলে কৃষক ভালো বীজ গ্রহণ করেন।"
ছবি: Nitin Das / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: কৃষি জাগরণ




মন্তব্য
(০)