সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

মতামত: খামারিকে অংশীদার না করলে খাঁচামুক্ত ডিমের রূপান্তর টিকবে না

কৃষি জাগরণে এক কলামে এলিসা লেইন লিখেছেন, ভারত ও এশিয়ায় খাঁচামুক্ত ডিম কেনার কর্পোরেট প্রতিশ্রুতি সফল করতে খামারিদের প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন ও ক্রেতা চাহিদার স্পষ্ট ধারণা দরকার।

মতামত: খামারিকে অংশীদার না করলে খাঁচামুক্ত ডিমের রূপান্তর টিকবে না
মতামত

ভারতসহ এশিয়াজুড়ে খাঁচামুক্ত ডিম কেনার কর্পোরেট প্রতিশ্রুতি বাড়ছে। তবে কৃষি জাগরণে প্রকাশিত এক কলামে এলিসা লেইন (Elissa Lane) লিখেছেন, এর সাফল্য নির্ধারিত হবে খামারে, বোর্ডরুমে নয়। মতামত লেখকের নিজস্ব।

তাঁর মতে, মুরগিকে খাঁচা থেকে বের করা মূলত একটি কৃষি রূপান্তর: নতুন ঘর, ভিন্ন ধরনের ঝাঁক ব্যবস্থাপনা, কর্মীদের নতুন প্রশিক্ষণ আর নতুন বিনিয়োগ। তাই অগ্রগতি নির্ভর করে খামারিদের জ্ঞান, কারিগরি সহায়তা, বাজারের স্পষ্ট চিত্র ও আর্থিক সামর্থ্যের ওপর। খামারিদের পরিবর্তনের নিছক গ্রহীতা না ভেবে অংশীদার হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দক্ষতার প্রশ্নে লেইন প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও প্রদর্শনী খামারের কথা বলেছেন, যেখানে খামারিরা খাঁচামুক্ত ব্যবস্থা চোখে দেখে অন্যদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারেন। খামারভেদে ঘর, শ্রম ও অবকাঠামো অনেক আলাদা, তাই খামারে গিয়ে পরামর্শ এবং স্থানীয় ভাষায় প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

কলামে বলা হয়েছে, শুধু প্রশিক্ষণ যথেষ্ট নয়। খামারিদের নিশ্চিত হতে হবে যে তাঁদের ডিম কেউ কিনবে, আর কোম্পানিগুলোর দরকার নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী। ক্রয়ের শর্ত, পরিমাণ ও সময়সীমা নিয়ে আগেভাগে ক্রেতা ও উৎপাদকের আলোচনা হলে খামারিরা বুঝতে পারবেন বিনিয়োগ লাভজনক হবে কি না, ক্রেতারাও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা করতে পারবেন।

লেইন আর্থিক সহায়তার কথাও বলেছেন: সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে ওঠার সময়ে চাহিদা ধরে রাখার প্রণোদনা, আর ঘর, যন্ত্রপাতি ও সনদের খরচ মেটাতে ঋণসুবিধা। তাঁর ভাষায়, খামারির কাছে প্রশ্নটা শুধু খাঁচামুক্ত উৎপাদন প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব কি না তা নয়, দীর্ঘ মেয়াদে তা লাভজনক কি না।

উৎপাদক সমিতি ও যৌথ প্ল্যাটফর্ম খাত গঠনে খামারিদের কণ্ঠ পৌঁছে দেয় বলেও মনে করেন তিনি। তাঁর উপসংহার, প্রতিশ্রুতি গতি আনে, কিন্তু টেকসই পরিবর্তনের জন্য দরকার এমন ব্যবস্থা, যা খামারে কাজ করে, অর্থনৈতিকভাবে টেকে এবং খামারিকে স্থির চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করে।

ছবি: Humphrey Bolton / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

সূত্র: কৃষি জাগরণ

কৃষি জাগরণসূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

উৎপাদন বাড়লেও ফসল নষ্ট হচ্ছে কেন: সংরক্ষণ, পরিবহন আর বাজারের সমন্বয়ের ডাক

জাগো নিউজের এক মতামত লেখায় সমীরণ বিশ্বাস বলছেন, উৎপাদন বাড়লেও সংরক্ষণ, পরিবহন, গ্রেডিং ও বাজারজাতকরণের দুর্বলতায় ফসলের বড় অংশ নষ্ট হচ্ছে বা ন্যায্য দাম পাচ্ছে না; সমাধানে তিনি ছয় দফা সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলেছেন।

জাগো নিউজ ২৪২৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: ব্রিকস শস্য বিনিময় কেন্দ্র কমাতে পারে বহুজাতিক কৃষি ব্যবসার দাপট

অর্থনীতিবিদ বিশ্বজিৎ ধরের মতে, নয়াদিল্লি ঘোষণায় সমর্থন পাওয়া ব্রিকস শস্য বিনিময় কেন্দ্র বৈশ্বিক দক্ষিণের উৎপাদক ও ক্রেতাদের ন্যায্য ও স্থিতিশীল দাম দিতে পারে।

Rural Voice২৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

এআই, সেন্সর আর ড্রোন কৃষকের শক্তি হবে, মাটি-পানির বিকল্প নয়: সমীরণ বিশ্বাসের কলাম

ইত্তেফাকে প্রকাশিত কলামে সমীরণ বিশ্বাস লিখেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি ও ড্রোন কৃষককে সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে, তবে প্রযুক্তি ক্ষুদ্র কৃষকের নাগালে না এলে বৈষম্য বাড়বে।

ইত্তেফাক২৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)