সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৫°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৬%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

অবসরের পর ২০ একরে ডালিম, রাসায়নিক কমিয়ে জৈব উপকরণে খরচ কমালেন রাজস্থানের নিহাল সিং

স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সাবেক চিফ ম্যানেজার নিহাল সিং রাজস্থানের জালোরে প্রায় ৫,০০০ ডালিম গাছের বাগান করেছেন; ধাপে ধাপে রাসায়নিক থেকে জৈব উপকরণে যাওয়া আর ড্রিপ সেচে তাঁর বাগানের খরচ প্রায় ২০ লাখ রুপি থেকে এ বছর ৮-৯ লাখে নেমেছে বলে তাঁর দাবি।

অবসরের পর ২০ একরে ডালিম, রাসায়নিক কমিয়ে জৈব উপকরণে খরচ কমালেন রাজস্থানের নিহাল সিং
ফল

রাজস্থানের জালোর জেলার সায়লা তহসিলের বাওয়াতারা গ্রামের কৃষক নিহাল সিং (Nihal Singh) স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার চিফ ম্যানেজার পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর পুরোদমে ডালিম চাষে নেমেছেন। প্রায় ছয় বছর ধরে তাঁর পরিবার ডালিম চাষ করছে। এখন প্রায় ২০ একর জমিতে তিন থেকে ছয় বছর বয়সী প্রায় ৫,০০০ গাছ আছে, যেগুলোর চারা এসেছিল নাগপুর থেকে, টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে তৈরি। এখন চলছে তাঁর ষষ্ঠ ফসল।

কৃষি জাগরণকে তিনি বলেছেন, পরিবর্তনটা হঠাৎ হয়নি। শুরুতে উপকরণের প্রায় ৮০ শতাংশ ছিল রাসায়নিক, ২০ শতাংশ জৈব। পরে অনুপাত দাঁড়ায় ৫০:৫০, আর এখন তিনি প্রায় পুরোপুরি জৈব ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছেন। তবে সমস্যা দেখা দিলে সীমিত রাসায়নিক স্প্রে এখনো করেন। অন্য কৃষকদের প্রতি তাঁর পরামর্শ, পুরো খামার বদলানোর আগে কয়েকটি গাছে বা ছোট জায়গায় জৈব উপকরণ পরীক্ষা করে দেখা।

প্রথম সমস্যা ছিল মাটি। তাঁর হিসাবে জমির জৈব কার্বন ছিল মাত্র ০.২৫-০.৩০ শতাংশ, ফলে মাটি পানি ধরে রাখতে পারত না, গাছও সার ঠিকমতো নিতে পারত না। তাই তিনি জৈব পদার্থ ও জৈব উপকরণের দিকে ঝোঁকেন। দ্বিতীয় সমস্যা পানি: তাঁর নলকূপ প্রায় ৯০০ ফুট গভীর, পানি মেলে প্রায় ৭০০ ফুটে। তাই গাছের প্রয়োজন বুঝে ড্রিপ সেচ দেন; তাঁর মতে বেশি পানিতে রোগের ঝুঁকিও বাড়ে।

জালোরের আবহাওয়ায় তিনি জুনে ফসলচক্র শুরু করেন, ডিসেম্বরের পর থেকে প্রায় তিন মাস ধরে ধাপে ধাপে ফল তোলেন। মার্চের পর গাছের বিশ্রামকালেও পুষ্টি আর নজরদারি চালিয়ে যান। শুঁয়োপোকা, থ্রিপস, ফলের মাছি, ব্লাইট ও ছত্রাকজনিত রোগ দেখতে নিয়মিত বাগান ঘোরেন, আর আগে জৈব দমন পদ্ধতি ব্যবহার করেন।

তাঁর নিজের হিসাবে, গত বছর বাগানে খরচ হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ রুপি, এ বছর এ পর্যন্ত প্রায় ৮-৯ লাখ রুপি; আলাদা আলাদা পুষ্টি উপাদানের বদলে কম পণ্য ব্যবহার এর একটি কারণ। তিনি অন্তত ১০০ টন ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন এবং ডালিম ও অন্য ফসল মিলিয়ে বছরে ৬০-৭০ লাখ রুপি বিক্রির আশা করছেন। খামারে এসে ফল দেখে কেনা ব্যবসায়ীরা কখনো কেজিপ্রতি ৫০ রুপির নিচে দাম দেননি বলে জানান তিনি। কৃষি জাগরণ মনে করিয়ে দিয়েছে, এসব তাঁর খামারের নিজস্ব হিসাব; মাটি, জাত, আবহাওয়া ও ব্যবস্থাপনাভেদে ফল ভিন্ন হতে পারে, আর জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফলের বাড়তি দাম সব বাজারে নিশ্চিত নয়।

ছবি: H. Zell / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: কৃষি জাগরণ

কৃষি জাগরণসূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

মধুপুরে আকস্মিক ঝড়ে ৮০ হেক্টরের কলা, আনারস, পেঁপে ও সবজি ক্ষতিগ্রস্ত

বুধবার দুপুরে প্রবল বাতাসে শোলাকুড়ী, ফুলবাগচালা, অরণখোলা, ভুটিয়া ও কুড়াগাছার বাগান তছনছ হয়েছে; মাঠের হিসাব শেষ হলে ক্ষতি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস।

এগ্রিকেয়ার২৪৮ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

জিপিএস ছাড়াই ফলবাগানে পথ চিনবে চালকবিহীন স্প্রেয়ার, লাগছে রঙিন লিডার সেন্সর

জন ডিয়ারের মালিকানাধীন গাস অটোমেশন তাদের চালকবিহীন ফলবাগান স্প্রেয়ারে আউস্টারের রঙিন লিডার সেন্সর বসাচ্ছে, যাতে গাছের ছাউনির নিচে স্যাটেলাইট সংকেত না পেলেও যন্ত্র সারি ধরে চলতে পারে।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

নরম রোবট হাত পুরো থোকা থেকে পাকা ব্লুবেরি তোলে, কাঁচা ফল থাকে গাছে

জর্জিয়া টেকের নেতৃত্বে তৈরি ক্ল্যাস্প রোবটের ঘুরন্ত সিলিকন ফিতা পুরো থোকা ধরে শুধু পাকা ব্লুবেরি টেনে তোলে, কাঁচা ফল গাছেই থাকে; মাঠপরীক্ষায় ২৫ বারের চেষ্টায় সফলতার হার ৯২ শতাংশ।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার৮ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)