রংপুরের খুচরা বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আদার দাম কেজিতে ৬০ টাকা এবং রসুনের দাম ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) নগরীর বিভিন্ন বাজারে দেশি নতুন আদা ১৮০-২০০ টাকা, আমদানি করা আদা ২২০-২৪০ টাকা, দেশি রসুন ১২০-১৪০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ২২০-২৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
এক সপ্তাহ আগে দেশি নতুন আদা ছিল ১২০-১৪০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৯০-২০০ টাকা, দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা আর ভারতীয় রসুন ২০০-২২০ টাকা কেজি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরোনো আদা-রসুনের সরবরাহ কমে গেছে, অথচ নতুন ফসল এখনো পুরোপুরি বাজারে আসেনি। সিটি বাজারের সবজি বিক্রেতা রাজু মিয়ার কথায়, সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে, কৃষকেরা নতুন করে চাষ শুরু করেছেন। দেশের অন্য বাজারেও কোথাও কোথাও কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বাড়ার খবর মিলেছে।
সবজির বাজারে মিশ্র চিত্র। গাজর ১৪০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০-১৮০ টাকা, কচুরলতি ৫০-৬০ থেকে ৭০-৮০ টাকা এবং করলা ৪০-৫০ থেকে ৫০-৬০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে টমেটো কমে ১৭০-১৮০ টাকা, নতুন আসা বাঁধাকপি ৬০-৭০ থেকে ৫০-৬০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়স ৫০-৬০ থেকে ৪০-৫০ টাকায় নেমেছে। ধনেপাতা কেজিতে ২০০-২৫০ টাকা থেকে নেমে ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফুলকপি ৬০-৭০ টাকা, শিম ১২০-১৪০ টাকা, কাঁকরোল ৮০-৯০ টাকা, চিকন বেগুন ৪০-৭০ টাকা ও গোল বেগুন ৮০-১০০ টাকায় প্রায় অপরিবর্তিত। কাঁচামরিচ ১০০-১২০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা কেজি, গত সপ্তাহের মতোই।
মাছ, মাংস ও ডিমের বাজার স্থিতিশীল। ডিমের হালি ৪৬-৪৮ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০-৩১০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৪০-৫৫০ টাকা, গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১,০০০-১,১০০ টাকা কেজি। আকারভেদে রুই ২৫০-৪৫০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২০০ টাকা আর তেলাপিয়া ১৫০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মুদিপণ্যে বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটারে ২০৫-২১০ টাকা, মোটা চাল ৪৮-৫০ টাকা ও মিনিকেট ৮০-৮৫ টাকায় অপরিবর্তিত থাকলেও প্যাকেট ময়দা ৭৫-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৮৫-৯০ টাকা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ধারণা, আদা-রসুনের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।
প্রতিবেদনটি সারাবাংলার রংপুর প্রতিনিধির।
ছবি: Forest & Kim Starr / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: সারাবাংলা




মন্তব্য
(০)