কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ঘিরে গড়ে উঠেছে বহু হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ, যার অনেকগুলো উঠেছে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায়। পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ছাড়াই চলছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। প্রথম আলোর আলোকচিত্রী সৌরভ দাশের ছবির গল্পে উঠে এসেছে সেই চিত্র।
সরকারি সংস্থা, হোটেল মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক হিসাবে জেলায় সাত শতাধিক আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজে অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতিসহ নানা অনিয়মের তথ্য মিলেছে। বিভিন্ন সংস্থা অনিয়ম চিহ্নিত করে নোটিশ দিলেও নির্মাণ ও ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না। আগুনে পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রিসোর্টকেও বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, তবু সেটি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল।
ছবিগুলোতে দেখা যায়, সংকটাপন্ন এলাকার ভেতরেই একের পর এক স্থাপনা; কাঠ ও টিনের চালা দিয়ে তৈরি হচ্ছে কটেজ। মেরিন ড্রাইভের পাশে গড়ে উঠছে নতুন রিসোর্ট ও কটেজ, সৈকতঘেঁষা এলাকায় পর্যটকদের জন্য চলছে নতুন নির্মাণ।
অনেক হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজের প্রয়োজনীয় সনদ নেই, পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ব্যবসা। বিভিন্ন সংস্থার নোটিশ সত্ত্বেও অবৈধ নির্মাণ থামেনি।
ছবি: Mohammed Tawsif Salam / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0); কলাতলী মেরিন ড্রাইভ
সূত্র: প্রথম আলো




মন্তব্য
(০)