চাহিদার তুলনায় অনেক কম সার বরাদ্দ পাওয়ায় নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের কৃষকেরা বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের জয়বাংলা মোড়ে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও মান্দা থানা-পুলিশ গিয়ে কৃষকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে, যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কৃষকেরা আগাম জাতের আলু, সরিষা, পেঁয়াজসহ নানা সবজির জন্য জমি তৈরি করছেন। এ সময় রাসায়নিক সার দরকার হলেও চাহিদামতো পাচ্ছেন না; সময়মতো সার না পেলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তাঁদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউনিয়নটিতে এখন ২,৫০০ বস্তা ডিএপি, ২,৫০০ বস্তা এমওপি (পটাশ) ও ১,০০০ বস্তা টিএসপির চাহিদা আছে। অথচ অক্টোবরের সরকারি বরাদ্দ এসেছে মাত্র ২০০ বস্তা ডিএপি, ৯০ বস্তা টিএসপি ও ১৮২ বস্তা এমওপি। ইউনিয়নে বিসিআইসির একজন ডিলার (মেসার্স আবুল এন্টারপ্রাইজ) থাকলেও বিএডিসির কোনো নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলার নেই, আর ডিলারভিত্তিক বরাদ্দের কারণেই এখানে বরাদ্দ কম হয়েছে বলে জানা গেছে।
ছোট মুল্লুক গ্রামের কৃষক শ্রীমান আলি মোল্লা বলেন, 'সারের জন্য রাত ৩টা থেকে লাইনে বসে আছি, এখনো সার পাইনি। সার না পেলে ফসল করব কীভাবে।' একই গ্রামের অখিল চন্দ্রের এ মৌসুমে অন্তত ২৫ বস্তা সার লাগবে।
ডিলার আবুল হোসেন জানান, অক্টোবরে তিনি সামান্য সার বরাদ্দ পেয়েছেন, চাহিদামতো না পেয়ে কৃষকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সীমা কর্মকার বলেন, চলতি মাসেই আরেক দফা বরাদ্দ পাওয়ার চেষ্টা চলছে; নতুন সার পৌঁছালে সংকট থাকবে না বলে আশা করছেন তাঁরা। প্রতিবেদনটি আজকের পত্রিকার মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধির।
ছবি: Hopeoflight / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0); সরিষাখেতের প্রতীকী ছবি
সূত্র: আজকের পত্রিকা




মন্তব্য
(০)