গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের খোর্দ্দ রসুলপুর গ্রামের কৃষক তৌহিদুল ইসলাম শাহীন ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে চলতি আমন মৌসুমে ছয় একর জমিতে ১১ জাতের ধান চাষ করেছেন। মাঠজুড়ে এখন দুলছে নানা জাতের ধানের শিষ।
তাঁর জাতগুলোর মধ্যে আছে কাঁঠালী, হাইব্রিড চিনিগুঁড়া, যমুনা ও লং বাসমতিসহ আরও কয়েকটি। এক মৌসুমে নানা জাত চাষ করে সেগুলোর বৈশিষ্ট্য, ফলন ও সম্ভাবনা নিজের চোখে যাচাই করতে চান তিনি।
শাহীনের মূল পরিকল্পনা মানসম্মত বীজ উৎপাদন। নিজের জমির জাতগুলোর মধ্যে উপযুক্তগুলো বেছে বীজ করবেন, তাতে নিজের পরের মৌসুমের চাহিদা মিটবে, এলাকার কৃষকদেরও বীজ দেওয়া যাবে।
তবে ধান উৎপাদন আর বীজ উৎপাদন এক নয়। কৃষি বিভাগ সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বীজের জন্য জাতের বিশুদ্ধতা, অঙ্কুরোদ্গম ক্ষমতা, রোগমুক্ত অবস্থা এবং ঠিকমতো শুকিয়ে সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হয়; একসঙ্গে অনেক জাত চাষ করলে জাতের পরিচয় ও বিশুদ্ধতা ধরে রাখা বিশেষভাবে জরুরি। ভিডিও দেখে শেখা পদ্ধতি স্থানীয় মাটি ও আবহাওয়া বুঝে প্রয়োগ করা এবং জাত বাছাই, বিশুদ্ধতা যাচাই ও সংরক্ষণে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক মামুন মন্ডল বলেন, শাহীনের উদ্যোগ সফল হলে অন্য কৃষকেরাও নতুনভাবে ভাবতে উৎসাহ পাবেন। প্রতিবেদনটি ঢাকা মেইলের গাইবান্ধা প্রতিনিধির।
ছবি: Ibrahim Husain Meraj / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0); গাইবান্ধার ধানখেত
সূত্র: ঢাকা মেইল




মন্তব্য
(০)