জৈবডিএপির বিকল্প হিসেবে ১৪ ধরনের অণুজীবের জৈব সার আনল শ্রী শ্রী নৈসর্গিক
ফসফেটসমৃদ্ধ এই জৈব সারে থাকা অণুজীব মাটির আটকে থাকা ফসফেট গাছের গ্রহণযোগ্য করে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানের; তবে ডিএপির বদলে ব্যবহার মাটি পরীক্ষা ও ফসলের চাহিদা দেখে করতে বলছে তারাই।
জৈবফসফেটসমৃদ্ধ এই জৈব সারে থাকা অণুজীব মাটির আটকে থাকা ফসফেট গাছের গ্রহণযোগ্য করে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানের; তবে ডিএপির বদলে ব্যবহার মাটি পরীক্ষা ও ফসলের চাহিদা দেখে করতে বলছে তারাই।
এপ্রিল-সেপ্টেম্বরে ইউরিয়া বিক্রি ৪.১ শতাংশ কমে ১ কোটি ৮৫ লাখ টনে নেমেছে, এনপিকে কমেছে ২২.২ শতাংশ; দেশে ইউরিয়া উৎপাদন বেড়েছে, এনপিকে উৎপাদন কমেছে ৩৫.৫ শতাংশ।
এগ্রোবিজসালফারের সংকটে দেশীয় চাহিদা মেটাতে চীনের ফসফেট সার রপ্তানি ২০২৫ সালের প্রায় ৫৩ লাখ টন থেকে ২০২৬ সালে প্রায় শূন্যে নেমেছে; ডিএপি ও এমএপির দাম বাড়ছে।
ফসলআলু, সরিষা ও পেঁয়াজের জমি তৈরির মৌসুমে নওগাঁর মান্দার কালিকাপুর ইউনিয়নে ২,৫০০ বস্তা ডিএপির চাহিদার বিপরীতে অক্টোবরে বরাদ্দ এসেছে ২০০ বস্তা; ক্ষুব্ধ কৃষকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
ফসলকৃষি বিভাগ বলছে সংকট নেই, ডিলাররা বলছেন বরাদ্দ কম; কৃষকেরা ডিলার পয়েন্টে মাসে এক-দুই বস্তা পেয়ে বাকি টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি বাড়তি দামে খুচরা দোকান থেকে কিনছেন।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কাফকো, সৌদি আরব ও আমিরাত থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টন ইউরিয়া এবং মরক্কো থেকে ৮০ হাজার টন ডিএপি ও ৭০ হাজার টন টিএসপি কেনার ছয়টি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
পশ্চিম এশিয়ার সংকটে সরবরাহ বিঘ্ন চলতে থাকলে চলতি অর্থবছরে সার ভর্তুকি বাজেটের ১ লাখ ৭১ হাজার কোটি রুপির জায়গায় ৩ লাখ কোটি রুপি ছাড়াতে পারে, বলেছেন ভারতের সার বিভাগের কর্মকর্তা।
এলএনজি ও আমদানির চড়া দামে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তুকি ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি রুপি ছাড়িয়েছে, যদিও মে মাসের চূড়া থেকে ইউরিয়ার আমদানি খরচ ৫৭ শতাংশ কমেছে।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এমওপি ও ডিএপি মিলিয়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির চারটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে; ব্যয় প্রায় ৯৮৩ কোটি টাকা, আসবে কৃষি ভর্তুকির বাজেট থেকে।
রাশিয়া ও মরক্কো থেকে রাষ্ট্রীয় চুক্তিতে এবং বেসরকারি আমদানিকারকদের মাধ্যমে মোট প্রায় ১০ লাখ টন সার আমদানির একগুচ্ছ প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।