বিশ্ববাজারে সরবরাহ বিঘ্ন চলতে থাকলে চলতি অর্থবছরে ভারতের সার ভর্তুকি ৩ লাখ কোটি রুপি ছাড়াতে পারে, যা বাজেটে ধরা ১ লাখ ৭১ হাজার কোটি রুপির প্রায় দ্বিগুণ। এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন দেশটির সার বিভাগের যুগ্ম সচিব কৃষ্ণকান্ত পাঠক, জানিয়েছে গ্লোবাল এগ্রিকালচার।
পাঠক এর কারণ হিসেবে পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতায় বৈশ্বিক সার সরবরাহে দীর্ঘ বিঘ্নের কথা বলেন। একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অপর্ণা এস শর্মা জানান, ইউরিয়া ও অন্যান্য সারের খরচ স্পষ্টভাবে বাড়ছে; তবে বছরের বাকি সময়ে বিশ্ববাজার কোন দিকে যায়, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করায় কর্মকর্তারা চূড়ান্ত অঙ্ক বলেননি।
ভর্তুকির আওতায় আছে ইউরিয়া, ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি), এনপিকে মিশ্র সার ও সিঙ্গেল সুপার ফসফেট (এসএসপি)। কৃষকেরা এগুলো আমদানি বা উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম নিয়ন্ত্রিত দামে কেনেন, পার্থক্য দেয় সরকার। তাই বিশ্ববাজারে ইউরিয়া, ডিএপি বা ফসফরিক অ্যাসিড ও সালফারের মতো কাঁচামালের দাম বাড়লে চাপ পড়ে বাজেটে, কৃষকের ওপর নয়।
ভারত ফসফেট ও পটাশ সারের বড় অংশ এবং ইউরিয়ার একাংশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আমদানি করে। ফলে বিশ্ববাজারে দাম টানা বাড়লে সরকারি আমদানি ও বিতরণ ব্যবস্থায় খরচ প্রায় সরাসরি বেড়ে যায়।
তুলনার জন্য কর্মকর্তারা আগের, তুলনামূলক স্বাভাবিক সময়ের প্রায় ২ লাখ কোটি রুপির একটি ভিত্তির কথাও বলেছেন; অর্থাৎ সাম্প্রতিক দামের চাপের আগেই বিল পরিকল্পনার চেয়ে বেশি ছিল। ৩ লাখ কোটি রুপি ছাড়ালে তা সাম্প্রতিক বছরগুলোর বড় ভর্তুকি-বাড়তির একটি হবে।
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার

মন্তব্য
(০)