মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনুমোদন দেওয়ায় শাস্তির মুখে পড়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক। কৃষি সংবাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার মন্ত্রণালয়ের মৎস্য-১ শাখা থেকে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং জবাবের জন্য তিন দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে ইলিশের উৎপাদন কমা ও বাজারে অতিরিক্ত দামের মধ্যে মৎস্য অধিদপ্তর ভারত থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। বিশ্বের অন্যতম প্রধান ইলিশ উৎপাদনকারী দেশে ভারত থেকে ইলিশ আনার বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রশ্ন উঠেছে—কাদের চাপ, প্ররোচনা বা স্বার্থে অধিদপ্তর এ কাজ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সচিব ও মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আমদানি ইতিমধ্যে বন্ধ হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সব সময় বাংলাদেশ থেকেই ভারত ইলিশ নেয়; এবারই ব্যত্যয় ঘটিয়ে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, আর একই সময়ে ভারতের মৎস্য ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের কাছে ইলিশ চেয়ে আবেদন করেছেন। আমদানি করা ইলিশ ‘স্বাদ ও গন্ধহীন’ বলেও মন্ত্রণালয় সূত্রের ভাষ্য।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ২২টি প্রতিষ্ঠান ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি করেছে, যার আমদানিমূল্য প্রায় ৬ কোটি ৯২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা; পুরো ইলিশই এসেছে ভারতের গুজরাটের ভারুচ এলাকা থেকে।
নোটিশের বিষয়ে ড. মো. খালেদ কনক বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে তিনি একটি নোটিশ পেয়েছেন; এটি প্রশাসনিক এবং প্রশাসনিকভাবেই এর জবাব দেওয়া হবে। আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত ও এই নোটিশ দেশের জেলে ও ইলিশ ব্যবসায়ীদের জন্য মৌসুমের বাজারে সরকারি অবস্থান স্পষ্ট করল।
সূত্র: কৃষি সংবাদ





মন্তব্য
(০)