ভারতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধে প্রধান সব রাসায়নিক সার, অর্থাৎ ইউরিয়া, ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি), মিউরেট অব পটাশ (এমওপি), এনপিকে যৌগ সার ও সিঙ্গেল সুপার ফসফেটের (এসএসপি) বিক্রি কমেছে। সূত্রের তথ্যের বরাতে রুরাল ভয়েস জানিয়েছে, দেশে ইউরিয়া উৎপাদন বাড়লেও অন্য সারের উৎপাদন কমেছে, আর ইউরিয়া ও এমওপির আমদানি বেড়েছে ৪০ শতাংশের বেশি।
এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে ইউরিয়া বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৮৫ লাখ ২১ হাজার টন, আগের বছরের ১ কোটি ৯৩ লাখ ৭ হাজার টনের চেয়ে ৪.১ শতাংশ কম। ডিএপি বিক্রি ০.৬ শতাংশ কমে ৪৩ লাখ ৬৪ হাজার টন, এমওপি ১১.৭ শতাংশ কমে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ টন, এনপিকে ২২.২ শতাংশ কমে ৬০ লাখ ৭ হাজার টন এবং এসএসপি ১.৪ শতাংশ কমে ২৮ লাখ ২৮ হাজার টন হয়েছে।
উৎপাদনে ইউরিয়া ৪.৩ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৫০ লাখ ৬৪ হাজার টনে পৌঁছেছে, আগের বছর যা ছিল ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার টন। ডিএপি প্রায় অপরিবর্তিত, ১৯ লাখ ৯৪ হাজার টন। এনপিকে উৎপাদন কমেছে তীব্রভাবে, ৩৫.৫ শতাংশ, ৫৯ লাখ ২৮ হাজার থেকে ৩৮ লাখ ২২ হাজার টনে; এসএসপি উৎপাদন ১০.৪ শতাংশ কমে ২৬ লাখ ৩১ হাজার টন।
ছয় মাসে ভারত ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার টন ইউরিয়া আমদানি করেছে, যা ৪০.৫ শতাংশ বেশি; এমওপি আমদানি ৪১ শতাংশ বেড়ে ১৬ লাখ ৭৯ হাজার টন। অন্যদিকে ডিএপি আমদানি ১১.২ শতাংশ কমে ৩৩ লাখ ৯৯ হাজার টন এবং এনপিকে আমদানি ৩১.৪ শতাংশ কমে ১৩ লাখ ৮৬ হাজার টন হয়েছে।
শুধু সেপ্টেম্বরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ওই মাসে ইউরিয়া বিক্রি আগের বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়ে ২৭ লাখ ৫ হাজার টন এবং ডিএপি ৬.৯ শতাংশ বেড়ে ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৬০০ টন হয়েছে; এনপিকে বিক্রি কমেছে ৩৯.৩ শতাংশ, ৬ লাখ ৭৬ হাজার ১০০ টনে। সেপ্টেম্বরে ইউরিয়া আমদানি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের ১৯ লাখ ৪৪ হাজার টন থেকে ৫৬.৬ শতাংশ কমে ৮ লাখ ৪৩ হাজার টনে নেমেছে, আর ডিএপি আমদানি ১৩.৩ শতাংশ বেড়ে ৯ লাখ ৯৮ হাজার টন ও এমওপি ১২.৯ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ৪৬ হাজার টন হয়েছে। মাসটিতে উৎপাদন ছিল ইউরিয়া ২৫ লাখ ২৫ হাজার, ডিএপি ৩ লাখ ৭১ হাজার, এনপিকে ৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০০ এবং এসএসপি ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টন।
সূত্র: Rural Voice




মন্তব্য
(০)