তৈরি সার ও ইউরিয়ার প্রধান কাঁচামাল এলএনজির উচ্চ বৈশ্বিক দামের কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধেই ভারত সরকার সার ভর্তুকিতে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি রুপির বেশি খরচ করেছে, যা বাজেট বরাদ্দ ১ লাখ ৭৬ হাজার কোটির প্রায় ৬৫ শতাংশ। খবর ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের।
সূত্রের বরাতে পত্রিকাটি জানায়, এর মধ্যে আমদানি ও দেশে উৎপাদিত ইউরিয়ায় গেছে ৮৭ হাজার ৩১৬ কোটি রুপি, আর ডিএপি, এমওপি ও এনপিকে সারে ২৬ হাজার ৮৫৭ কোটি রুপি। বাজেট প্রাক্কলন বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৪ হাজার কোটি করা হয়েছে; বাণিজ্য সূত্রের ধারণা, পুরো বছরের ব্যয় ২০২৫-২৬ সালের ২ লাখ ১৭ হাজার কোটির চেয়ে ১৫-২০ হাজার কোটি রুপি বেশি হবে।
ইউরিয়ার আমদানি খরচ মে মাসের টনপ্রতি ৯৪৭ ডলারের চূড়া থেকে প্রায় ৫৭ শতাংশ কমে গত মাসে ৪০৬ ডলারে নেমেছে; সরকার ওমান, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, জর্জিয়া, নাইজেরিয়া, রাশিয়া, ফিনল্যান্ড, মিসর, আলজেরিয়া, তুরস্ক ও নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি শুরু করেছে। তবে আগস্টে ডিএপির বৈশ্বিক দাম এপ্রিলের ৮৫৩ ডলার থেকে ৮.৪ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি ৯২৫ ডলার হয়েছে, আর হরমুজ প্রণালির বিঘ্নে সালফারের আমদানি খরচ এ বছর দ্বিগুণ হয়ে টনপ্রতি প্রায় ১,০৫০ ডলার।
এই ওঠানামা থেকে কৃষককে আড়াল রাখা হয়েছে: ৪৫ কেজির ইউরিয়ার বস্তা এখনো ২৬৬.৫০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে অপরিবর্তিত, যেখানে বৈশ্বিক দাম বস্তাপ্রতি ৪,০০০ রুপির বেশি; ডিএপির ৫০ কেজির বস্তা ১,৩৫০ রুপি।
ভারত তার সার ও কাঁচামালের প্রায় ৭০ শতাংশ আমদানি করে। রেকর্ড ২ লাখ ৫৪ হাজার কোটি রুপির ভর্তুকি হয়েছিল ২০২২-২৩ সালে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার সময়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সন্দীপ দাস।
সূত্র: Financial Express Agriculture




মন্তব্য
(০)