জিলাপি মচমচে ও রঙিন করতে হাইড্রোজ ও টেক্সটাইলের রং, বিরিয়ানিতে ফুড কালারের বদলে কাপড়ের রং, এমনকি কোথাও কোথাও ইউরিয়া সার বা ফরমালিন মেশানো হয় বলে জানিয়েছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ। আমার দেশের 'হ্যালো ডাক্তার' বিভাগে তিনি বলেন, এসব দীর্ঘ মেয়াদে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
তাঁর ব্যাখ্যায়, শিল্পকারখানার রাসায়নিক রং শরীরের কোষের ডিএনএ নষ্ট করতে পারে, এতে খাদ্যনালি ও লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। কিছু রঙে অ্যানিলিন ডাই থাকতে পারে, যা মূত্রথলির ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গেও সম্পর্কিত। এসব রাসায়নিক অস্থিমজ্জার কার্যক্ষমতা কমিয়ে (বোনম্যারো সাপ্রেশন) রক্তকণিকা উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে এবং শিশুদের মনোদৈহিক বিকাশেও সমস্যা তৈরি করতে পারে।
অক্টোবর লিভার ক্যানসার সচেতনতা মাস উল্লেখ করে তিনি এ ধরনের রাসায়নিকযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
ফুটপাতের পেয়ারা বা জামরুলে বিট লবণ, সেদ্ধ ডিমে টেস্টিং সল্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণ লবণ, বিট লবণ বা পিংক সল্ট, যেটাই হোক, অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। খোলা অবস্থায় বিক্রি হওয়া কাটা ফলে ধুলাবালি ও জীবাণু ঢুকতে পারে, তাই ফল বাসায় এনে নিজে কেটে খাওয়াই ভালো।
বাইরে খাওয়ার পর একবার-দুবার বমি বা পাতলা পায়খানা হলে খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি বা চালের মাড় খাওয়া যায়। কিন্তু বারবার বমি বা পাতলা পায়খানা, পায়খানার সঙ্গে রক্ত, নিস্তেজ হয়ে পড়া বা রক্তচাপ কমে গেলে অবশ্যই হাসপাতালে যেতে হবে, বলেন এই চিকিৎসক।
সাক্ষাৎকারটি আমার দেশের স্বাস্থ্য পাতার।
ছবি: Haroldandkumar / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: আমার দেশ





মন্তব্য
(০)