সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কার্বন ক্রেডিট কাঠামো তৈরি করছে সরকার, সৌরসেচ ও ২৫ কোটি গাছে জোর

ইইউ ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভায় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, নির্গমন হ্রাস মাপা ও যাচাইয়ের নিয়মসহ কার্বন ক্রেডিট কাঠামো হচ্ছে; সৌরচালিত সেচ, দূষণকারী ইটভাটা বন্ধ ও দেশীয় প্রজাতির গাছ লাগানোয় জোর।

কার্বন ক্রেডিট কাঠামো তৈরি করছে সরকার, সৌরসেচ ও ২৫ কোটি গাছে জোর
পরিবেশ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে সরকার একটি কার্বন ক্রেডিট কাঠামো তৈরির কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো, দূষণকারী ইটভাটা বন্ধ, বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রসার এবং ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগের কথাও বলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন বলে বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট জানিয়েছেন। পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, জলবায়ু অগ্রাধিকার এবং কপ-৩১ সম্মেলন সামনে রেখে ইইউর আউটরিচ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সভাটি হয়। সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম; ছিলেন ইইউর গ্রিন ইকোনমি বিভাগের প্রধান টোবিয়াস বিয়ারমান এবং জার্মানি, ডেনমার্ক ও ফ্রান্সের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, কার্বন নিঃসরণ কমানো ও কার্বন অপসারণের কাজে বিনিয়োগ টানতে এই কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রকল্প অনুমোদন, নির্গমন হ্রাসের পরিমাপ, প্রতিবেদন তৈরি, স্বাধীন যাচাই এবং একই নির্গমন হ্রাস দুবার গোনা ঠেকানোর সুস্পষ্ট ব্যবস্থা থাকতে হবে।

কৃষকের জন্য প্রাসঙ্গিক অংশটি সেচ নিয়ে। শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, আবাসিক ভবন, শিল্পকারখানা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বসানোর পাশাপাশি উপযুক্ত এলাকায় সৌরচালিত সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে; এতে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে। সৌরবিদ্যুতের প্রসারে মানসম্মত প্রযুক্তি, অর্থায়ন, দক্ষ জনবল ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।

বায়ুদূষণ প্রসঙ্গে তিনি অবৈধ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইটভাটা বন্ধ এবং পরিবেশ আইনের কার্যকর প্রয়োগের ওপর জোর দেন। ইটের বদলে পরিবেশবান্ধব ব্লক ও বিকল্প নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি; নির্মাণকাজের ধুলা, যানবাহনের ধোঁয়া ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও সমন্বিত উদ্যোগ লাগবে।

২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু চারা রোপণ নয়, পরিচর্যা ও সুরক্ষা এবং গাছের বেঁচে থাকার হার নিশ্চিত করাই আসল কাজ। উপযুক্ত স্থানে উপযুক্ত প্রজাতি, বিশেষ করে দেশীয় প্রজাতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বনভূমি, উপকূল, সড়কের পাশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক পরিসরে গাছ লাগাতে হবে; এতে স্থানীয় মানুষ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তরুণ ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করতে চান তিনি।

বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি, তাপপ্রবাহ ও লবণাক্ততার ঝুঁকি বেড়ে কৃষি, পানিসম্পদ ও জীবিকায় চাপ পড়ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী দুর্যোগ প্রস্তুতি, আগাম সতর্কবার্তা, উপকূল সুরক্ষা, বনায়ন ও পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন। কপ-৩১ সামনে রেখে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে বাস্তবায়নযোগ্য কাজে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ছবি: বিদ্যুৎ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪

বাংলা নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বিশ্ব

অতি শক্তিশালী এল নিনো: খাদ্যনিরাপত্তায় উদ্বেগ, ইন্দোনেশিয়া-আমাজনে দাবানল

আইএমএফপ্রধান খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে 'গভীরভাবে উদ্বিগ্ন', ইউএনডিপি বলছে ঋণ, জ্বালানির দাম ও এল নিনো মিলে 'নিখুঁত ঝড়'; ডব্লিউএমওর মতে ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছাবে এল নিনো, বাড়বে খরা ও বন্যার ঝুঁকি।

নয়া দিগন্ত১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুন্দরবনের কোলে ২৪ রিসোর্ট কীভাবে হলো: ট্রেড লাইসেন্সে শুরু, ছাড়পত্র পায়নি কেউ

পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে গড়ে ওঠা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার ২৪টি রিসোর্ট বন্ধ ও ৩০ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরাতে বলেছে পরিবেশ অধিদফতর; মালিকেরা বলছেন নিজের জমিতে কোটি টাকা খরচ করেছেন।

বাংলা ট্রিবিউন১৪ অক্টোবর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কক্সবাজার উপকূলের ৭৭-৮২ শতাংশ সামুদ্রিক মাছের ফুলকা ও পেটে মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় বঙ্গোপসাগরের বাণিজ্যিক মাছে গড়ে সাতটি বা তার বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা মিলেছে; জেলেরা বলছেন জালে মাছের সঙ্গে উঠছে প্লাস্টিক, ব্র্যাকের জরিপে কক্সবাজারের সমুদ্রে রোজ পড়ছে ৩৪.৫ টন প্লাস্টিক।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)