ফুলবাহারি রঙের জিনিয়া: মেক্সিকোর ফুলের পরিচয় ও চাষের নিয়ম
মেক্সিকো থেকে আসা গন্ধহীন কিন্তু বাহারি রঙের জিনিয়া বীজ থেকে সহজেই জন্মানো যায়; রোদ, সুনিষ্কাশিত দোআঁশ মাটি আর গোড়ায় সেচ পেলে ছাদ বা বারান্দার টবেও ভালো ফোটে।
ফুলমেক্সিকো থেকে আসা গন্ধহীন কিন্তু বাহারি রঙের জিনিয়া বীজ থেকে সহজেই জন্মানো যায়; রোদ, সুনিষ্কাশিত দোআঁশ মাটি আর গোড়ায় সেচ পেলে ছাদ বা বারান্দার টবেও ভালো ফোটে।
বাংলাদেশের কৃষিখাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো হর্টিকালচার। যা ফল, সবজি, ফুল, মসলা ও ওষুধি গাছের চাষ অন্তর্ভুক্ত করে। উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু এবং ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগত উন্নতির কারণে বাংলাদেশে হর্টিকালচার ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের
রজনীগন্ধা Amaryllidaceae পরিবারের সদস্য। এর ইংরেজী নাম Tuberose এবং বৈজ্ঞানিক নাম Polianthes tuberosa. এ ফুলের আদি বাসস্থান মেক্সিকো। ফুলদানীতে এ ফুল ৭-১০ দিন সজীব থাকে এ
ফুলফুলদানিতে দীর্ঘদিন সতেজ থাকা জারবেরা বিশ্বের শীর্ষ কাট ফ্লাওয়ারগুলোর একটি; বাংলাদেশে শীতে খোলা মাঠে ও গ্রীষ্মে পলিশেডে এর চাষ হয়, আর বারি ২০০৯ সালে দেশে চাষের উপযোগী দুটি জাত অবমুক্ত করে।
শীতকালের ফুলের মধ্যে গাঁদা অন্যতম। বিবাহ, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, গৃহসজ্জা, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও শহীদ দিবসসহ সব অনুষ্ঠানেই গাঁদা ফুলের বিকল্প নেই। কেটে যাওয়া ত্বকের রক্ত প
ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। শীতকালে ফুলের সমারোহ লক্ষ্য করা যায়। তাই তো দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে ফুলের বাগান ও নার্সারি। এ ছাড়া স্থান স্বল্পতার কারণে
সয়াল্যান্ড খ্যাত মেঘনা উপকূলীয় লক্ষ্মীপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরে এখন সয়াবিনের সবুজ পাতায় কৃষকের সোনালি স্বপ্ন দোল খাচ্ছে। ক্ষেতে পাতা, ফুল আর থোকায়-থোকায় সয়াবিনে সবুজের সমারোহ। আর এক-দেড় মাসের মধ্যে ঘরে উঠবে তাদের কাঙ্ক্ষিত সোনার ফসল। এ নিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞের আয়োজন চলছে।
গ্যালারিফসলের নাম :সূর্যমুখী(Sunflower)
শীতে প্রকৃতির প্রভাব সব কিছুর উপর পড়ে। বাসা-বাড়ির টবের পানিও শুকিয়ে যায়। ঘরের ভেতর, বাসার ছাদে বা বারান্দার টবে রাখা গাছগুলো এ সময় জীর্ণ হতে পারে। তাই নিয়মিত যত্ন নিতে হবে।
শহরে কিংবা গ্রামে বাড়ির ছাদে বা আশেপাশে শখ করে অনেকেই টবে ফুল চাষ করেন। সেই ক্ষেত্রে বেশির ভাগেরই পছন্দ গোলাপ। আপনি যদি টবে গোলাপ চাষ করতে চান তাহলে আপনাকে গোলাপ চাষ সম্পর্কে কিছু
এগ্রোবিজ২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বেকারত্ব দূর করার পথ হিসেবে বাণিজ্যিক ফুল চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল: শুরুতে বেশি পুঁজি লাগে না, আর খেত থেকে মালা গাঁথা পর্যন্ত নারী-পুরুষ দুজনেরই কাজের সুযোগ তৈরি হয়।
শুধু ট্রে আর টবে ফুল চাষ করে মাসে ৫০ হাজার আয় করেন এক কম্পিউটার প্রোগ্রামার। জেনে নিন সেই যুবক সম্পর্কে।
শহরে যারা থাকেন, তাদের জন্য ফুলের বাগান করার সুযোগ কম। কেবল বিল্ডিংয়ের ছাদ, বারান্দা, সিঁড়িঘরই ভরসা। তাই টবে দু-চারটা ফুলগাছ লাগানো যেতে পারে। সব ফুলের গাছ আবার টবে ভালো হয় না।