ফুল চাষে যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে
ফুল এখন শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্যই চাষ হয় না, বাণিজ্যিকভাবেও এর অনেক গুরুত্ব রয়েছে। বর্তমানে চাহিদার নিরিখে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফুল চাষ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছেন। আমাদের দেশে
ফুল এখন শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্যই চাষ হয় না, বাণিজ্যিকভাবেও এর অনেক গুরুত্ব রয়েছে। বর্তমানে চাহিদার নিরিখে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফুল চাষ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছেন। আমাদের দেশে
ফুলসুগন্ধি জুঁই অল্প পরিশ্রমে চাষ করা যায় এবং মালা, সাজসজ্জা ও সুগন্ধি তৈরিতে এর চাহিদা থাকায় এটি অর্থকরী ফুল হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে জমি তৈরি থেকে ফুল তোলা পর্যন্ত ধাপগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
সুবাসের জন্য বেলি ফুলের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। আমাদের দেশের অধিকাংশ উৎসব অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত ফুলের তোড়া, ফুলের মালায় সুগন্ধী ফুল হিসেবে বেলির বেশ কদর রয়েছে। শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই ন
ফসলে অনুখাদ্য বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন। কারণ এগুলো উদ্ভিদের সঠিক বৃদ্ধি, বিকাশ এবং ফলনের জন্য অপরিহার্য। অনুখাদ্যগুলো উদ্ভিদের এনজাইম, হরমোন এবং ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে। এগুলো মাটি থেকে পুষ্টি শোষণ, ফুল ও ফল ধারণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যেমন দস্তা পাতার ক্লোরোফিল তৈরি ও বৃদ্ধিতে
মশার আক্রমণ প্রায় সব ঋতুতেই দেখা যায় কমবেশি। এখন শীতকাল। প্রকৃতি এ সময়ে নিজেকে শীতল চাদরে মুড়িয়ে নিলেও মশার প্রকোপ বেড়ে যায় অনেকটাই। গাছ হতে পারে মশা তাড়ানোর সমাধান। এমন কি
বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে বেগুনি বা রানি গোলাপি, হলুদ রঙের ফুলকপি এবং ব্রোকলির চাষ। ফেনীর দাগনভূঞায় চাষ করা এ সবজি দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। তাই বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে। উপজেলার কৃষকেরা সাধারণত সাদা ফুলকপির আবাদ করেন।
বরিশাল নদীবন্দরের ঘাটের শ্রমিকদের (কুলি-কলম্যান) মাদক ও জুয়া থেকে দূরে রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে লঞ্চ টার্মিনাল এলাকার পরিত্যক্ত জমিতে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি চাষ ও ফুল-ফলের গাছ রোপণ করে সফলতা পেয়েছেন রিপন হাওলাদার। লঞ্চঘাটের শ্রমিকদের নিয়ে ফুল ও ফলের ক্ষেত করে বরিশালে প্রশংসায় ভ
৩৭ বছর ধরে নার্সারিতে বাহারি ফুলের চাষ করে সফল হয়েছেন কিশোরগঞ্জের ভৈরবের দুলাল মিয়া। তিনি উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের গোছামারা পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার নার্সারিতে ১৬-২০ জনের বেশি লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জুবাইর মাহমুদ আফ্রি ছোটবেলা থেকে অনুরক্ত হন গোলাপ ফুলের প্রতি। বিচিত্র গোলাপ ফোটানোর পর এবার তিনি বাড়ির ছাদে ফুলের রঙ, আকার, উৎপাদন আর সৌন্দর্যের নানা দিক নিয়ে কাজ করছেন।
৫ বছর আগেও বাণিজ্যিকভাবে ফুল বাগান ছিল না পাবনা জেলায়। এখন কয়েক হেক্টর জমিতে করা হয়েছে বাণিজ্যিক ফুল বাগান। সবজি ও অন্যান্য চাষে দফায় দফায় লোকসানে পড়েন। তবে গোলাপ বাগানে ব্যাপক সফলতা মিলেছে টেবুনিয়ার ভজেন্দ্রপুরের তিন ভাইয়ের। ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে এ মাসে ৫ লাখ টাকার গোলাপ বিক্রির আশা তাদের।
লক্ষ্মীপুরে বাণিজ্যিকভাবে রঙিন ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে সফল হয়েছেন কৃষক জামাল। তিনি স্থানীয় বাজারে উচ্চমান পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ এ কপির ভালো ফলন পাচ্ছেন। সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামে বাড়ির পাশে এ বছর প্রথম ২০ শতাংশ জমিতে সাদা, গোলাপি, হলুদ ফুলকপি এবং লাল বাঁধাকপি (রেডকেবল) চাষ করেন।
ড্রাগন চাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে 'ড্রিপ ইরিগেশন পদ্ধতি'। কম খরচে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে জয়পুরহাটের কৃষকের আস্থা অর্জন করছে এ পদ্ধতি। শুধু ড্রাগন চাষেই নয়, ফুলের বাগান ও ফল জাতীয় বাগানে এই ড্রিপ ইরিগেশন পদ্ধতি ব্যবহারে সুফল পাচ্ছেন জেলার কৃষকেরা। এ পদ্ধতি দেখে অন্য কৃষকেরা আগ্রহী হয়ে উঠ
আরিফুল ইসলাম তামিম