সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°ভারী বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ১.৫ মিমি

ফসলে কেন অনুখাদ্য প্রয়োজন

ফসলে অনুখাদ্য বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন। কারণ এগুলো উদ্ভিদের সঠিক বৃদ্ধি, বিকাশ এবং ফলনের জন্য অপরিহার্য। অনুখাদ্যগুলো উদ্ভিদের এনজাইম, হরমোন এবং ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে। এগুলো মাটি থেকে পুষ্টি শোষণ, ফুল ও ফল ধারণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যেমন দস্তা পাতার ক্লোরোফিল তৈরি ও বৃদ্ধিতে

ফল

ফসলে অনুখাদ্য বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন। কারণ এগুলো উদ্ভিদের সঠিক বৃদ্ধি, বিকাশ এবং ফলনের জন্য অপরিহার্য। অনুখাদ্যগুলো উদ্ভিদের এনজাইম, হরমোন এবং ক্লোরোফিল গঠনে সহায়তা করে। এগুলো মাটি থেকে পুষ্টি শোষণ, ফুল ও ফল ধারণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যেমন দস্তা পাতার ক্লোরোফিল তৈরি ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, আয়রন ক্লোরোফিল সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ এবং বোরন ফুল ও ফলের গঠন উন্নত করে।

তাই ফসলে পরিমিত পরিমাণে অনুখাদ্য সরবরাহ করলে উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। একটি গাছের বেঁচে থাকতে ১৭টি উপাদান প্রয়োজন হয়। তাই সুষম সার বা মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট (অনুখাদ্য) ব্যবহার করা জরুরি। গাছে এই ১৭টি উপাদানের যে কোনো একটির অভাব থাকলে গাছ অল্প কিছুদিনের মধ্য আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে যায় এবং বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ শুরু হয়।

গাছের অনুখাদ্যের অভাবে যেসব সমস্যা হয়

১. পাতা হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে, ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে২. ফুল-ফল ঝরে পড়া৩. ফলের আকার ছোট হয়ে যাওয়া৪. গাছের বৃদ্ধি থেমে যাওয়া৫. বিভিন্ন ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের আক্রমণ বেড়ে যায়।

তাই প্রতিটি গাছে অনুখাদ্য ব্যবহার জরুরি। গাছের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি উপাদান সঠিক অনুপাতে মিশিয়ে এই অনুখাদ্য তৈরি করা হয়। এটি প্রয়োগ করলে বাড়তি কোনো সার প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় না। যা একবার ব্যবহার করলে আগামী ৪-৫ মাস আর কোনো সার ব্যবহার করতে হবে না। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গাছের পরিচর্যা বলতে আমরা বুঝি, গাছের সার প্রয়োগ, পোকামাকড়ের সমস্যা দেখা দিলে কীটনাশক ব্যবহার এবং ছত্রাক ঘটিত সমস্যায় ছত্রাকনাশক ব্যবহার করে থাকি। একটি বিষয় আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিয়ে দেখি না। সেটি হলো, মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা অনুখাদ্য প্রয়োগ করা। এ অনুখাদ্য লাগে কম কিন্তু এর অভাবজনিত সমস্যা খুবই বড় এবং জাটিল।

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ফার্টিলাইজারের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী ভূমিকা

১. গাছের পাতা গাঢ় সবুজ করে মাত্র ৩-৪ দিনে২. গাছ ঝিমিয়ে পড়লে দ্রুত সতেজ করে৩. ফুলের রং ও অধিক পরিমাণে ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়৪. সালোকসংশ্লেষণ কার্যক্রমে সহায়তা করে৫. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে৬. গাছের শিকড়ের শক্তি বাড়ায়।

সঠিক পরিমাণে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ব্যবহার করলে গাছের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তাই সুষম মাত্রায় মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট ব্যবহার করলে গাছ হয়ে উঠবে সতেজ, সুন্দর ও প্রাণবন্ত। রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে যদিও এর ফলাফল খুবই দ্রুত পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে গাছের শিকড়ের ক্ষতি হতে পারে। একই জমিতে দীর্ঘদিন রাসায়নিক সার ব্যবহার করার কারণে মাটিতে রাসায়নিকের উপস্থিতি বেড়ে যায় এবং অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মাটির অনুজীব, যারা গাছের খাবার সরবরাহ করতে সহায়তা করে, তাদের ক্ষতি হয়।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()