জোরালো এল নিনো কৃষিতে খুবই অসম ছবি তৈরি করে, কোথাও বেশি বৃষ্টি, কোথাও খরা, আর তা শস্যবিমা প্রতিষ্ঠানগুলোর আচরণ বদলে দিচ্ছে বলে অ্যাগ্রিবিজনেস গ্লোবালে এক কলামে লিখেছেন স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান আর্থডেইলির বিমা বিভাগের বৈশ্বিক ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক আন্দ্রেস উমানা। মতামত লেখকের নিজস্ব।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এনওএএর ১৩ আগস্টের পূর্বাভাস উল্লেখ করেন, যেখানে ২০২৬ সালের এল নিনোর এ শরৎ ও শীতে খুব শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশের বেশি বলা হয়েছিল। ভীত কৃষকেরা বিমা কিনতে ভিড় করছেন, যাকে উমানা বাজারজুড়ে প্রতিকূল নির্বাচন বলছেন, কারণ ক্রেতারা ঠিক তখনই আসছেন যখন ক্ষতির প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশি।
তাঁর ভাষায়, বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সুরক্ষায় মধ্য আমেরিকার শুষ্ক করিডর, ব্রাজিলের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মতো চেনা ঝুঁকির এলাকায় বিমা বাড়াচ্ছে না, বেশি নিরীক্ষা করছে, বেশি আবেদন ফেরাচ্ছে এবং পূর্বাভাস স্পষ্ট হলে যাতে জরুরি বিমা কেনা না যায় সে জন্য কড়া সময়সীমা দিচ্ছে। ব্রাজিলে বিমাকৃত কৃষিজমি আগের বছরগুলোর চেয়ে ৭৬ শতাংশ কমেছে, কোথাও মোট জমির ৩ শতাংশের নিচে, যার পেছনে সরকারি প্রিমিয়াম ভর্তুকি বন্ধ থাকাও আছে। বড় দাবি এলে আগামী মৌসুমে দাম অনেক বাড়বে বলে তাঁর ধারণা।
উমানার যুক্তি, জাতীয় গড় বিভ্রান্তিকর হতে পারে: ১৯ আগস্ট পর্যন্ত ভারতে বর্ষার বৃষ্টি মোটের ওপর ১৩ শতাংশ কম ছিল, কিন্তু পূর্ব ও উত্তর-পূর্বে ২৫ শতাংশ কম, অথচ মধ্য ভারতে প্রায় স্বাভাবিক। মৌসুমজুড়ে ফসল নজরে রাখতে, সূচকভিত্তিক বিমার শর্ত ভালোভাবে নকশা করতে এবং একসঙ্গে অনেক ক্ষতির দাবি এলে অগ্রাধিকার ঠিক করতে মাঠপর্যায়ের স্যাটেলাইট ও রাডার নজরদারির পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: AgriBusiness Global




মন্তব্য
(০)