খামার ব্যবস্থাপনা ও উত্তরাধিকার নিয়ে বেশির ভাগ পরামর্শ লেখা হয় খামারের মালিকদের জন্য, যাঁরা খামারের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন সেই তরুণদের জন্য নয়। কানাডার কৃষি সাপ্তাহিক ম্যানিটোবা কো-অপারেটরে (Manitoba Co-operator) এক কলামে এমন যুক্তি দিয়েছেন জ্যানেল রুডলফ (Janelle Rudolph)। লেখার মতামত লেখকের নিজের।
রুডলফ তরুণ কৃষকের বাধাগুলো তুলে ধরেছেন: কঠিন অর্থনীতিতে পুঁজি, খামারের ব্যবসায়িক অবস্থা সম্পর্কে অসম্পূর্ণ ধারণা, পরামর্শক ও হিসাবরক্ষকের সঙ্গে পেশাদার সম্পর্কের অভাব, নিজের বেড়ে ওঠা আর পারিবারিক টানাপোড়েন। ব্রাইটর্যাক কনসাল্টিংয়ের লেখক ও পরিকল্পনাবিদ প্যাটি ডুরান্ডের (Patti Durand) কথা উদ্ধৃত করেছেন তিনি: পরামর্শের বেশির ভাগই যায় যাঁদের হাতে চেকবই তাঁদের দিকে। ডুরান্ডের পরামর্শ, বিদায়ী প্রজন্মের জন্য লেখা পরামর্শ পড়ে প্রশ্নগুলো উত্তরসূরির দিক থেকে ঘুরিয়ে দেখা।
প্রথম কাজ হিসাব বোঝা। ডুরান্ডের ভাষায়, সংখ্যা ঐচ্ছিক নয়। রুডলফ লিখেছেন, খামার কোনোমতে চলছে, ঝুঁকিতে আছে নাকি ভালো করছে, তা না জেনে প্রবৃদ্ধির পরিকল্পনা হয় না। লোকসানের খামারে আগে খরচ কমাতে হবে; ভালো চলা খামারে প্রশ্ন আসে, চাষের প্রতি ভালোবাসার বাইরে পরিবারের কাছে কী গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁর মতে, সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি পারিবারিক সম্পর্ক। বাবা-মা অনেক সময় দরকারের বেশি তথ্য দেন না বা ব্যাখ্যা ছাড়াই প্রস্তাব নাকচ করেন, প্রায়ই আশির দশকের কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে আসা সাবধানতায়। তাঁর পরামর্শ, কেন নাকচ হলো তা জানতে চাওয়া, আর আলোচনা একই জায়গায় ঘুরতে থাকলে খামার কোচ বা উত্তরাধিকার ও ব্যবসা পরামর্শকের মতো তৃতীয় পক্ষ আনা।
উত্তরসূরিদের তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে খামারের আইনজীবী, আর্থিক পরামর্শক ও হিসাবরক্ষকের বৈঠকে যেতে, খামারের অবস্থা, সুযোগ ও বড় ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে নিয়ে যেতে এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলর বা মেন্টরের সাহায্য নিতে বলেছেন, কারণ চাষাবাদ আর পরিবারের সঙ্গে কাজ, দুটোই চাপের।
ছবি: Northwest at English Wikipedia / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Manitoba Co-operator





মন্তব্য
(০)