যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঞ্চলে সয়াবিন কাটতে গিয়ে কৃষকেরা বীজের খোসায় বাদামি, ধূসর বা সবুজ রং দেখছেন, ফলে মান ও দামে কাটছাঁট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, জানিয়েছে ফার্মস ডটকম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সয়াবিনস অব আদার কালারস বা এসবিওসি নামের এই অবস্থা সাধারণত বাহ্যিক: এটি শুধু বাইরের খোসায় থাকে, তেলের পরিমাণ, আমিষ ও বীজের কার্যকারিতা অপরিবর্তিত থাকে।
গবেষকদের মতে জাতের বংশগত বৈশিষ্ট্য ও আবহাওয়া মিলে এসবিওসি হয়। মৌসুমের শুরুতে গরম ও শুষ্ক, তারপর দানা পুষ্ট হওয়া ও পাকার সময় ভেজা আবহাওয়া থাকলে সম্ভাবনা বাড়ে। সব জাতে হয় না, প্রতি বছরও হয় না। এটি রোগ বা তাপজনিত ক্ষতি থেকে হয় না।
মূল উদ্বেগ খাদ্যমানের বাজারে, কারণ টফুর মতো পণ্যের চেহারায় খোসার রং প্রভাব ফেলতে পারে। তেল নিষ্কাশন, মাড়াই, পশুখাদ্য ও শিল্প ব্যবহারে রং বদলানো সয়াবিনের মূল্য সাধারণত পুরোপুরি থাকে।
২০২৩ সালে হালনাগাদ মার্কিন সয়াবিন মান নির্ধারণ নিয়মে বিপণন সহজ হয়েছে। এসবিওসি এখন আর আলাদা বিশেষ গ্রেড নয়; ১০ শতাংশের কম রং বদল নম্বর ১ বা নম্বর ২ হলুদ সয়াবিনের গ্রেড নির্ধারণে বিবেচ্য নয়, আর ১০ শতাংশের বেশি হলে মিশ্র সয়াবিন হিসেবে গণ্য হতে পারে। তবে কিছু ক্রেতা, রপ্তানি গ্রাহক ও বিশেষায়িত বাজার কড়া শর্ত দিতে পারে।
রং বদল দেখলে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সরবরাহের আগে গুদাম, প্রক্রিয়াকারী বা ক্রেতার সঙ্গে কথা বলতে, কাটছাঁটের হার জেনে নিতে এবং কোনো ক্রেতা চেহারা নিয়ে কড়া হলে দেশীয় মাড়াইকলকে বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে।
ছবি: Jake was here (soybean harvest in Michigan) / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)