মৌসুম শেষ হয়ে আসায় গবাদিপশু খামারিদের চারণভূমি ও খড়ের জমি কেমন গেল তা ফিরে দেখে লিখে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চারণ বিশেষজ্ঞ ও কলামিস্ট জর্ডান পেনরোজ, যাতে আগামী বছরের সিদ্ধান্ত সেদিন নয়, আগেভাগেই নেওয়া যায়। ফার্ম অ্যান্ড ডেইরিতে লেখা কলামে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব ওহাইওর কিছু এলাকায় এবার দুই মাসে প্রায় এক বছরের বৃষ্টি হয়েছে।
তাঁর তালিকা: চারণ পরিকল্পনা কেমন টিকেছে, ঘাসের প্রজাতিগুলো কেমন করেছে, খড়ের মান ও পরিমাণ, মজুত খাদ্যের হিসাব, বেড়া ও পানির ব্যবস্থাসহ অবকাঠামো কেমন সামলেছে, আর্থিক মূল্যায়ন এবং আগামী বছরের পরিকল্পনা।
চারণ পরিকল্পনা নিয়ে তাঁর প্রশ্ন, পরিকল্পিত পালাক্রম মেনে চলা গেছে কি না, না গেলে কেন। তাঁদের পারিবারিক খামারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলে একটি জমি বাদ রাখা হয়, কারণ খাঁড়ির পানি দ্রুত বাড়ে; জুলাইয়ের শেষে তিনি সেটিকে জীবনে সবচেয়ে বেশি পানির নিচে দেখেছেন। প্যাডকে ঘাস আবার গজানোর সময় পালাক্রমের সঙ্গে মিলেছে কি না, কোথায় অতিরিক্ত চরানো হয়েছে বা কোথায় ঘাস বেশি পেকে গেছে, তাও দেখতে বলেন তিনি। ছায়া, পানি ও খনিজ লবণ সব যদি প্যাডকের এক কোণে থাকে, সেখানে অতিরিক্ত চরানো হয় আর বাকি অংশে ঘাস পেকে যায়, কারণ পশু সবচেয়ে সুস্বাদু গাছটিই খায় এবং আবার গজালে আবার খায়।
২০২৪ ও ২০২৫ সালের শেষ ভাগের তীব্র খরা আর ২০২৬ সালের ভারী বৃষ্টির মধ্যে দোল খাওয়া তিন বছরের পর কোন ঘাসের প্রজাতি ভালো করেছে তা লক্ষ করার পরামর্শ দেন তিনি; তাঁদের খামারে এবার লাল ক্লোভার অনেক বেড়েছে। জলাবদ্ধ মাটিতে মরে যাওয়া বা খরার পর আর সেরে না ওঠা অংশে নতুন করে বীজ বুনতে হতে পারে, তবে তার মানে পুরো জমি নতুন করে করা নয়; বেশির ভাগ ঘাসের জমিতে শীতের শেষে শিম জাতীয় গাছের বীজ ছিটিয়ে দেওয়াই যথেষ্ট হতে পারে।
তাঁর প্রশ্ন, গত কয়েক বছর চারণভূমির জন্য একরকম চাপ পরীক্ষা ছিল; পরেরটির জন্য আপনি কি প্রস্তুত? মতামত লেখকের নিজস্ব।
ছবি: Jeff Vanuga, USDA NRCS (an intensive rotational grazing system in Arkansas) / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farm and Dairy





মন্তব্য
(০)